বাংলাদেশে রাজস্ব লক্ষ্যে ভুল পথে সরকার: ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উপর বেশি চাপ দেওয়ার পরিণতি
র জস ব লক ষ য ভ – রাজস্ব লক্ষ্যে ভুল পথে সরকার বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের উপর সামান্য ব্যবসায়িক সংগঠনগুলোর কাছে আপত্তি উঠেছে। বর্তমানে প্রায় ৮ লাখ ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান রয়েছে যাদের মধ্যে বৃহৎ কোম্পানিগুলো রাজস্ব আদায়ের বিশাল অংশ অবদান রেখেছে। কিন্তু সরকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আওতায় আনার চেষ্টা করেছে বলে মনে করা হচ্ছে, যা তাদের চাপ বৃদ্ধি করছে। ব্যবসায়ী নেতারা দাবি করছেন যে রাজস্ব লক্ষ্যে সরকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের করদায় বৃদ্ধির দাবি পূরণ করতে পারেন না যদি বড় কোম্পানিগুলোর ভ্যাট ফাঁকি ও কর অনিয়ম দমনের প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করেন না।
রাজস্ব লক্ষ্যে ভুল পথে সরকার: ব্যবসায়ী সমাজের অভিযোগ গুরুত্বপূর্ণ
গতকাল বুধবার রাজধানীর মগবাজারে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি ও জাতীয় দোকানভিত্তিক এসএমই সংগঠনগুলো যৌথ সংবাদ সম্মেলন করে। সেখানে অর্থমন্ত্রীকে আয়কর আইনের বিতর্কিত ধারা সংশোধন করতে আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া অগ্রিম উৎসে কর কর্তনের দায়িত্ব থেকে ব্যবসায়ীদের অব্যাহতি এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সঙ্গে জরুরি বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়। ব্যবসায়ীদের মতামত বিবেচনা করতে হবে বলে তাঁদের দাবি।
ব্যবসায়ী নেতাদের অভিযোগ অনুযায়ী, দুই বছর ধরে এফবিসিসিআই নির্বাচিত নেতৃত্বের পরিবর্তে প্রশাসকের মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ায় বাজেট প্রণয়নে ব্যবসায়ী সমাজের বড় অংশের মতামত প্রতিফলিত হয়নি। ফলে বাস্তব ব্যবসায়িক চ্যালেঞজ গুরুত্ব পায়নি। রাজস্ব লক্ষ্যে সরকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আওতায় আনার চেষ্টায় তাদের কাছে আরও বেশি বোঝাপড়া দেখা দিচ্ছে। বিশেষ করে ভ্যাট আদায়ে এলটিইউ ও বৃহৎ প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে না বলে মনে করা হচ্ছে, যা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উপর বেশি চাপ বৃদ্ধি করছে।
ব্যবসায়ী সমাজের দাবি, রাজস্ব লক্ষ্যে সরকার এলটিইউ ও বৃহৎ কোম্পানিগুলো পরিচালনার জন্য নীতিগত ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের মতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের চাপ কমানোর জন্য সরকারের প্রথম কর্তৃত্ব হলো বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর কর অনিয়ম দমন করা। এই চ্যালেঞজ দীর্ঘ সময় ধরে অবহিষ্ট হচ্ছে যে সরকার এলটিইউ ও বৃহৎ খাতগুলো দ্বারা রাজস্ব লক্ষ্য অর্জনের জন্য ক্ষুদ্র ব্যবসায�
