ব্যয় বৃদ্ধির সাথে ঋণের বোঝা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে
ব ড়ত বর দ দ র সঙ – আগামী অর্থবছরের বাজেট আকার বৃদ্ধি পেয়েছে যা এক বছরের ব্যবধানে দেশবাসীর প্রতিটি নাগরিকের জন্য ব্যয়ের সক্ষমতা বাড়তে চলেছে। বাজেট বরাদ্দ মাথাপিছু বেড়েছে ৮ হাজার ৩৫৮ টাকা হিসাবে দেখা গেছে। এর সঙ্গে সাথে ঋণের দায়ও বৃদ্ধি পেয়েছে এক হাজার ২৪৩ টাকা হিসাবে।
বর্তমান অর্থবছরে সরকার এক হাজার ২৪৩ টাকা হিসাবে ঋণের বোঝা বৃদ্ধি করছে যে কারণে বিনিয়োগ টেনে আনা এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যয় পরিকল্পনা বাড়ানো হয়েছে। সরকারি ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সাথে বাজেট ঘাটতি বেড়েছে এবং তা এখন প্রতিটি নাগরিকের জন্য ১৩ হাজার ৭২২ টাকা হিসাবে দেখা গেছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো অনুযায়ী দেশের জনসংখ্যা ১৭ কোটি ৭০ লাখ ৮৬ হাজার হিসাবে দেখা গেছে। ফলে আগামী অর্থবছরে প্রতিজনের জন্য বাজেট বরাদ্দ দাঁড়াচ্ছে ৫২ হাজার ৯৬৯ টাকা। এই সংখ্যা বর্তমান অর্থবছরের ৪৪ হাজার ৬১১ টাকার তুলনায় বেড়েছে প্রতি বছরের পরিমাণ।
অর্থনীতিবিদদের মতে পরিবর্তন প্রতিফলিত
অর্থনীতিবিদরা বলছেন যে এসব সংখ্যা শুধু বাজেটের আকার বৃদ্ধির গল্প বলে না, বরং সরকারের অর্থনৈতিক প্রতিশ্রুতির পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধার এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বাজেটের আকার বৃদ্ধি প্রয়োজন।
“প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধার, বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য এখন বড় পরিসরের সরকারি ব্যয় প্রয়োজন।”
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাবেক মহাপরিচালক ড. মোস্তফা কে মুজেরী বলেন, বাজেট বৃদ্ধি ইতিবাচক হলেও মূল চ্যালেঞ্জ হল এটি কতটা বাস্তবায়ন সম্ভব। যদি উন্নয়ন ব্যয় উৎপাদনশীল খাতে চলে এবং বিনিয়োগ উৎসাহিত করে, তাহলে এটি ভবিষ্যতের প্রবৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করতে পারে।
সরকারের আশা হচ্ছে বিনিয়োগ কার্যক্রম এবং সংস্কারের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি থেকে আয় সংগ্রহ সম্ভব হবে। ফলে রাজস্ব আহরণ এবং ব্যয় ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উন্নয়ন লক্ষ্যে বড় আকারের বাজেট নেওয়া হয়েছে। আগামী অর্থবছরে বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা যা চলতি অর্থবছরের ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি।
বাজেটের আকার জিডিপির প্রায় ১৪ শতাংশ হলেও এটি সম্প্রসারণমূলক বাজেট হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, কয়েক বছর ধরে রাজস্ব সংকট, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ এবং মূল্যস্ফীতির কারণে ব্যয় ব্যবস্থাপনায় সংযম দেখা গিয়েছিল। এখন অর্থনৈতিক অগ্রাধিকারের পরিবর্তন ঘটছে এবং বৃদ্ধ
