National

বজ্রপাতে বড় ক্ষতির ঝুঁকিতে উড়োজাহাজ

বজ্রপাতে বড় ক্ষতির ঝুঁকিতে উড়োজাহাজ

বজ রপ ত বড় ক ষত র – শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আকাশ-সীমায় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটছে অব্যাহত। গত ১৫ দিনে কমপক্ষে তিনটি বিমান এই আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে উড্ডয়ন বন্ধ হয়ে পড়েছে। এতে মেরামতের খরচ ও ফ্লাইট সূচি ব্যাহত হওয়ার কারণে বিভিন্ন এয়ারলাইনস কয়েক লাখ ডলার ক্ষতির মুখে পড়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, ঘটনাগুলো সম্প্রতি উড়োজাহাজের ল্যান্ডিং সময়ে ঘটেছে। এখন আন্তর্জাতিক রুটে চলাচলে বিঘ্ন দেখা দিয়েছে। এতে ফ্লাইট বিলম্ব এবং বিকল্প উড়োজাহাজ ব্যবহার করতে হয়েছে। পরিচালনা খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এয়ার কমোডর নূর-ই-আলম বলেন, বিমানবন্দরের চারপাশে বজ্রপাত প্রতিরোধক ব্যবস্থা রয়েছে। রানওয়ে বা পার্কিং বে-তে থাকা অবস্থায় বিমান বজ্রপাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা খুবই কম। ঝড়ের সময় ও বর্ষা মৌসুমে বড় মেঘখণ্ডের পারস্পরিক ঘর্ষণে বৈদ্যুতিক চার্জ তৈরি হয়। বিমান এই চার্জযুক্ত মেঘের ভেতর দিয়ে চললে কাঠামো বিদ্যুৎ পরিবাহকের মতো আচরণ করে বজ্রপাতের শিকার হতে পারে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুটি বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার অবতরণের আগে বজ্রপাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তার মধ্যে একটি বিমানের ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। মেরামতের পর ৬ জুন সেটিকে আবার চলাচলের উপযোগী করা হয়। অন্যটি প্রায় ১৫ দিন ধরে মেরামতের পর সচল হয়েছে।

প্রকৌশলীরা বলেন, বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারের প্রায় অর্ধেক অংশ কম্পোজিট উপাদান বা কার্বন ফাইবারে তৈরি। অ্যালুমিনিয়ামের মতো দক্ষভাবে বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে না। ফলে তীব্র বিদ্যুৎ প্রবাহে কম্পোজিট স্তরে ক্ষতি সৃষ্টি হয়েছে। কাঠামোতে কালো দাগ, ছোট-বড় গর্ত বা অভ্যন্তরীণ স্তর বিচ্ছিন্ন হওয়ার মতো জটিল সমস্যা দেখা দিয়েছে।

ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যাটেরিয়াল ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক এয়ার কমোডর মঞ্জুর-ই-আলম বলেন, উড়োজাহাজে নিজস্ব বজ্রপাত প্রতিরোধের ব্যবস্থা থাকে। পাইলটদের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া থাকে। কিন্তু মুখে পড়লে ক্ষতি সম্পূর্ণভাবে এড়ানো সবসময় সম্ভব হয় না।

বিশেষজ্ঞদের মতে কাঠামোর ক্ষতি নির্ণয়ে আধুনিক ‘নন-ডেস্ট্রাকটিভ টেস্টিং’ বা আলট্রাসনিক পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। ক্ষতির মাত্রা নিশ্চিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্�

Leave a Comment