দুদকের দুই দশকের ধারণা স্থায়ী প্রসিকিউশন ইউনিট গঠনে নিশ্চিত হয়নি
দ ই দশক ধর দ দক র – দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধান, প্রমাণ সংগ্রহ ও তদন্ত করে মামলা দায়ের করতে হয়। কিন্তু দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে কমিশনকে একটি মূল দুর্বলতা অতিক্রম করতে হয়েছে। আদালতে মামলার চূড়ান্ত পরিণতি নির্ধারণ হয়, কিন্তু দুদকের মামলা পরিচালনা করতে হয় অস্থায়ী ও খণ্ডকালীন আইনজীবীদের মাধ্যমে।
নিজস্ব প্রসিকিউশন ইউনিট না থাকার প্রভাব
দুদকের আইনে স্থায়ী প্রসিকিউশন টিম গঠনের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে কমিশনের স্থায়ী প্রসিকিউশন ইউনিট গঠন হয়নি। তদন্ত ও অনুসন্ধান শেষে মামলা দায়ের করার পর কমিশন সাধারণ ফৌজদারি মামলার মতো নয় জটিল অপরাধের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে না। সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, দুর্নীতি মামলার প্রতি পূর্ণ মনোযোগ ও দায়বদ্ধতা স্থায়ী ব্যবস্থায় নিশ্চিত হয় না।
“দুদকের মামলাগুলো সাধারণ ফৌজদারি মামলার মতো নয়। এখানে আর্থিক লেনদেন, নথি বিশ্লেষণ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রশ্নবিদ্ধ অর্থের গতিপ্রকৃতি বিষয়ে বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন হয়।”
দুদকের নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলার দণ্ডের হার প্রায় 50 থেকে 60 শতাংশের বেশি হয়নি। এটি বিশেষায়িত সংস্থার প্রক্রিয়ার স্থায়িত্ব ও দক্ষতার ব্যাপারে প্রশ্ন তুলে ধরেছে।
বিধান অনুযায়ী কী হওয়া উচিত ছিল
দুদক আইনের ৩৩(১) উপধারায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, কমিশনের তদন্ত ও বিচারযোগ্য মামলা পরিচালনার জন্য নিজস্ব প্রসিকিউশন ইউনিট গঠন করা আবশ্যক। আবার ৩৩(২) উপধারায় বলা হয়েছে, নিজস্ব প্রসিকিউটর নিয়োগ হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ী প্রসিকিউশন ইউনিট থাকতে পারে।
“নিজস্ব প্রসিকিউশন ইউনিট গঠনের আগ পর্যন্ত অস্থায়ী ব্যবস্থা থাকবে। কিন্তু কমিশন গঠনের ২২ বছর পার হলেও কোনো কমিশনই কার্যকরভাবে স্থায়ী প্রসিকিউশন ইউনিট গঠনের উদ্যোগ নেয়নি।”
বর্তমান ব্যবস্থায় দুদকে রাজনৈতিক বিবেচনায় প্যানেল আইনজীবী নিয়োগের অভিযোগ রয়েছে। সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সরকারি কৌঁসুলি পরিবর্তন হয় এবং দুদকের ক্ষেত্রে দলীয় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ ওঠে। ফলে স্বাধীন ও পেশাদার প্রসিকিউশন কাঠামো গড়ে ওঠেনি।
আইন বিশেষজ্ঞ ও সাবেক কর্মকর্তারা মনে করেন, দীর্ঘ তদন্তের পর প্রায় সময় মামলার বিচারে কাঙ্ক্ষিত ফল আসে না। অস্থায়ী ও খণ্ডকালীন আইনজীবীদের মাধ্যমে মামলা পরিচালনার সময় আসামিপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বা প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন
ট্র্যান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এ বিষয়ে বলেন, “দুর্নীতির মামলার প্রক�
