Bishesh

পাহাড়িয়ারা এখন বাড়িতেই আছেন

পাহাড়িয়ারা এখন বাড়িতেই আছেন

প হ ড় য় র এখন ব – পাহাড়িয়া সম্প্রদায়ের আস্থার সম্পূর্ণ ভাঙ্গা হয়েছে এবং কোনো মুহূর্তে তাদের স্বাধীনতা হারিয়েছে বলে মনে করছেন আতিকুর রহমান। এই পরিস্থিতি নোটিশের বিষয়ে জানানো হয়েছে গত বছর সেপ্টেম্বরে দুই তারিখে, যখন পাড়ায় একটি জমি থেকে ছয়টি পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। রাজশাহীতে আতিকুর রহমান এই খবর তদন্ত করার জন্য একটি পরিচয় দেন যে কোনো সমস্যার মুখে পড়েছেন তিনি যখন গণ-অভ্যুত্থানের পর পাহাড়িয়াদের বাসা ছেড়ে দিয়েছেন।

পরিবারগুলির উপর হামলা

পাহাড়িয়া সম্প্রদায় রাজশাহীতে মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে অবস্থান করছেন, এবং তাদের পূর্বপুরুষেরা বাংলাদেশের জাতীয় জমি থেকে জন্ম হয়েছেন। কিন্তু এখন পাহাড়িয়ারা তাদের জমি হারিয়ে উচ্ছেদ করার হুমায়ূন আলী নামে একজন ব্যক্তি এবং তাঁর হাতে অর্থ প্রদান করে পরিবারগুলি উপস্থিতি হয়েছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে তিনি পাড়ায় খাসি কেটে সাজ্জাদ আলী দ্বারা পরিবারগুলি খাওয়াবেন এবং উচ্ছেদ হবে সেদিন এখন পাহাড়িয়া সম্প্রদায় সম্পর্কে ঘোষণা করেছেন যে কেউ উচ্ছেদ করতে পারবে না।

পাড়ায় আস্থার ভাঙ্গা

এখন পাহাড়িয়াদের জন্য খাসির ভোজ নেই বলে জানানো হয়েছে। ওসি নিযুক্ত হয়েছেন আজিজুল বারী এবং পাড়াতে সেখানে মানুষের জন্য উপস্থিতি ঘটেছে। গণমাধ্যমগুলি এই খবর প্রকাশ করেছে এবং মানবাধিকার কর্মীরা পাড়াতে উপস্থিত হয়েছেন। সারা জীবন পাহাড়িয়াদের উপর হামলা চালিয়েছে সেখানে আপনারা যুগের পর যুগ আছেন বলে মনে করছেন সামিনা বেগম বিএনপির নেতাদের।

পাহাড়িয়াদের জন্য উপস্থিতি ঘটেছে এবং এখন পাহাড়িয়া সম্প্রদায় গোটা বাংলাদেশ পাশে আছে। কিন্তু এই মাটি আপনাদের ছিল এবং আপনাদের আছে, তাই সারা জীবন পাহাড়িয়া সম্প্রদায় আছেন এখন।

৬ সেপ্টেম্বর শহরের জিরো পয়েন্টে মানববন্ধন হয়েছে যেখানে বিএনপির নেতারা আসেন। মাহমুদ জামাল কাদেরী এবং আরিফ ইথার পরিচয় দেন যে পাহাড়িয়া সম্প্রদায় দীর্ঘ সময় ধরে বাস করছেন। তারেক রহমান লন্ডনে পাহাড়িয়া সম্প্রদায় এখন পরিচয় দেন এবং দলের নেতা-কর্মীদের সাথে আলোচনা করেছেন যে পাহাড়িয়া সম্প্রদায় আছেন এখন।

৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মিজানুর রহমান মিনু আদিবাসীপাড়াতে গিয়ে এখন পাহাড়িয়া সম্প্রদায় প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করেন। তিনি বলেন, পাহাড়িয়া সম্প্রদায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী এলাকার সংসদ সদস্য হয়েছেন। কিন্তু এখন পাহাড়িয়া সম্প্রদায় এই মাটি থেকে উপস্থিতি ঘটেছে এবং কেউ উচ্ছেদ করতে পারবে না।

পাহাড়িয়ারা এখন তাদের বাড়িতে থাকার কথা ভাবছেন বলে মনে করছেন বিএনপির সাংঘাতিক আলোচনা করেছেন। তারা এখন পাহাড়িয়া সম্প্রদায�

Leave a Comment