Bishesh

পরীক্ষার ফল প্রকাশ: ছোট ছোট পরিবর্তনে বড় বদল আসুক

পরীক্ষার ফল প্রকাশ: ছোট ছোট পরিবর্তনে বড় বদল আসুক

পর ক ষ র ফল প রক – প্রধানমন্ত্রী সরকার ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে পরীক্ষার ফল প্রকাশের বিষয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, সাধারণত শিক্ষা বোর্ড দ্বারা পরিচালিত পাবলিক পরীক্ষার ফল ঘোষণার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর সম্পৃক্ত হওয়া কিনা এবং যদি হয়, তাহলে কেন মন্ত্রণালয় এবং বোর্ডগুলো নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে হয়।

এই প্রথার আকার গ্রহণ করে স্বাভাবিকভাবে মনে হয় বিগত শতকের নব্বই দশকের দ্বিতীয় অর্ধেকে স্থাপিত হয়েছিল। শেখ হাসিনার শাসনামলে এটি ব্যাপক আকার ধারণ করেছিল। এসএসসি-এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনে সাধারণত সংক্ষিপ্ত রেজাল্ট প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হত। তবে মন্ত্রণালয় ও বোর্ডগুলো কখনো হস্তক্ষেপ করেনি সেই বিষয়টি কার্যনির্বাহী প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে নিয়ে তাদের কাজ চালু হয়েছিল।

ফল প্রকাশের সময়টি সাধারণত গণভবনে পরিচালিত হয়। মন্ত্রণালয় কমপক্ষে এক সপ্তাহ সময় হাতে রেখে বিভিন্ন তারিখ নির্ধারণ করে প্রকাশ ঘোষণা করে। ঢাকা বোর্ড যে কোনো পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্পূর্ণ প্রস্তুতি পরিচালনা করে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করে। তারপর মন্ত্রণালয় বোর্ডগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে ফল প্রকাশের চূড়ান্ত সময় নির্ধারণ করে।

আনুষ্ঠানিকতার বিশেষ বিষয়গুলো

প্রতিটি পরীক্ষার ফল প্রকাশের জন্য সাধারণত সকাল ১০টা বা বেলা ১১টায় মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে ফলের কপি তুলে দেন। এ সময় প্রতিষ্ঠানের দুই-একজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে কথা বলেন। আনুষ্ঠানিক সম্মেলনে তথ্য তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী।

প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, যেহেতু ফল প্রকাশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব অনুষ্ঠান, তাই এটি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে হওয়া প্রয়োজন।

তবে এটি এক ব্যতিক্রম হিসেবে মনে করা যায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে। ওয়ান-ইলেভেন প্রসূত তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুরো দুই বছর ক্ষমতায় ছিল। তবে এ সময় (২০০৭-২০০৮) এসএসসি, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ঢাকা বোর্ড অথবা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দ্বারা করা হত। তার আগে ২০০১ সালে প্রধানমন্ত্র

Leave a Comment