দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে স্বাবলম্বী করতে হবে: আমিনুল হক
দ শ র ক র ড় ঙ – বাংলাদেশের নতুন সরকারের ক্রীড়া বিষয়ে সম্প্রতি গুরুত্বপূর্ণ ভাবনা স্থাপন করা হয়েছে যাতে দেশের ক্রীড়া খেলোয়াড়দের প্রতিযোগিতায় স্বাবলম্বী হতে পারে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এ বিষয়ে কথা বলেন, শুধুমাত্র বড় বড় ক্রীড়া মাঠ নির্মাণ করা বা আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা পর্যন্ত নয়, দেশের ক্রীড়া ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো স্থানীয় স্তরে ক্রীড়ামোদী যুবসমাজকে নিরাপদ ও সুবিধাজনক মাঠ প্রদান করা। সরকার এখন খেলোয়াড়দের প্রতিদিনের প্রশিক্ষণ এবং স্থায়ী বিনিয়োগের পরিকল্পনা গ্রহণ করছে যাতে দেশের ক্রীড়া খেলোয়াড়দের জন্য সংকট সৃষ্টি হয় না।
স্কুলে ক্রীড়া বিষয়ে আগ্রহ বৃদ্ধির কাজ চলছে
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ঘোষণা করেন যে দেশের শিশু-কিশোরদের জন্য স্কুলের মাঠগুলো বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উন্মুক্ত রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়াটি দেশের ক্রীড়া অনুষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার স্তরে অনুমোদিত হওয়া জরুরি বলে তিনি মনে করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে দেশের ক্রীড়া খেলোয়াড়দের গৃহীত খেলার বিষয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা পর্যন্ত আরও তিনটি খেলার সাথে মোট পাঁচটি ইভেন্ট বাধ্যতামূলক করার কাজ চলছে। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, দেশের ক্রীড়া ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হলো খেলোয়াড়দের প্রতিযোগিতায় স্বাবলম্বী করা এবং তাদের প্রশিক্ষণ গ্যালারিতে সম্পূর্ণ বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা।
খেলোয়াড়দের জন্য বেতন এবং বিশেষ ক্রীড়া ভাতা বিতরণের প্রক্রিয়া আগে থেকে চালু করা হয়েছে। দেশের ক্রীড়া ব্যবস্থার মূল প্রস্তাব হলো স্বাবলম্বী খেলোয়াড়দের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রকল্প চালু করা। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের ক্রীড়া বিষয়ে মাত্র মেডেল জয় করা এবং একটি রাষ্ট্রীয় ক্রীড়া প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়া খেলোয়াড়দের সংকট দূর করার লক্ষ্যে কাজ চলছে।
দেশের ক্রীড়ামোদী যুবসমাজের স্বাবলম্বী হওয়া জরুরি। প্রতিটি উপজেলার মাঠ তালাবদ্ধ রাখা বন্ধ করে দেশের ক্রীড়া ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন সম্পন্ন করা হয়েছে। আমাদের প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা দেশের ক্রীড়া সংস্থাগুলোকে উন্নয়ন করতে হবে যাতে যুব ক্রীড়া খেলোয়াড়দের প্রতিদিনের প্রশিক্ষণ ও স্বাবলম্বী পরিবেশ গ্রহণ করতে পারে।
তিনি আরও বলেন যে দেশের ক্রীড়া খেলোয়াড়দের জন্য সরাসরি উন্মুক্ত করা হয়েছে আন্তর্জাতিক প্রত
