Bangladesh

সিরাজগঞ্জে খেজুরের রস বিক্রেতা হত্যা: ১৯ বছর পর বাবা-মা ও মেয়েসহ ৫ জনের যাবজ্জীবন

সিরাজগঞ্জে খেজুরের রস বিক্রেতা হত্যার পরিণতি: বাবা-মা ও মেয়েসহ ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

স র জগঞ জ খ জ র – সিরাজগঞ্জে খেজুরের রস বিক্রেতা হত্যা কারীদের আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। সিরাজগঞ্জ জেলার একটি মামলায় জাহাঙ্গীর শেখকে হত্যা করার অভিযোগে তার বাবা, মা এবং মেয়েসহ পাঁচ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড করেছে আদালত। সোমবার সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বিচার কক্ষে এই রায় দেন লায়লা শারমিন বিচারক।

হত্যার ঘটনা এবং মামলার প্রক্রিয়া

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার হাসনা গ্রামে বাস করা জাহাঙ্গীর শেখ সিরাজগঞ্জে খেজুরের রস বিক্রেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি ব্যবসার জন্য রায়গঞ্জে যাতায়াত করতেন এবং সুজাত আলী ওরফে টুক্কার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাঁর স্ত্রী মায়া খাতুন তাঁর হত্যার খবর পেয়ে অন্যান্য আসামিদের সহ মামলা দায়ের করেন। রায়গঞ্জ উপজেলার তেবাড়িয়া গ্রামে বাস করা সুজাত আলী ও তাঁর স্ত্রী সেলিনা খাতুনের পাশাপাশি হায়দার আলী এবং হোসনে আরা খাতুনকে মামলায় আসামি করা হয়। মোট দশ জন আসামি ছিল এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত পাঁচ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড করেন।

আদালতের রায় এবং বিচার প্রক্রিয়া

সিরাজগঞ্জে খেজুরের রস বিক্রেতা হত্যা ঘটনার তদন্তে আদালত প্রমাণ গ্রহণ করে। ২০০৮ সালের ৫ মে অভিযোগপত্র পেশ করা হয় রায়গঞ্জ উপজেলার তেবাড়িয়া গ্রামে। দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর তিনি টুক্কার বাড়িতে বাস শুরু করেন। তাঁর সঙ্গে ফাতেমা খাতুন এবং সলঙ্গা থানার হায়দার আলীর সম্পর্ক গঠিত হয়। পরে তদন্তের ফলাফল প্রমাণ হওয়ার পর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে বিবেচিত হয়।

রায়গঞ্জ উপজেলার সুজাত আলী ও তাঁর স্ত্রী সেলিনা খাতুন সহ পাঁচ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড করা হয়। তাঁদের জরিমানা হয় এক লাখ টাকা এবং অনাদায়ে ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড। বাকি পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে প্রমাণ অস্পষ্ট হওয়ায় বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। আদালত রায়ে উল্লেখ করেন যে পাঁচ জন আসামি মামলার অভিযোগপত্র বাস্তবায়ন করেছে।

সিরাজগঞ্জে খেজুরের রস বিক্রেতার হত্যার সংঘটন হয়েছিল ২০০৭ সালের ৩ এপ্রিল। জাহাঙ্গীর শেখকে হত্যা করা হয় তাঁর মরদেহ সহ একটি ক্রমে তদন্তের পরিণতি হয়। সেলিনা খাতুন তার স্ত্রী মায়া খাতুনের বিষয়টি ঘোষণা করে পরে সুজা�

Leave a Comment