রংপুরের পীরগঞ্জে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ
র প র র প রগঞ জেলার পীরগঞ্জ ইউনিয়নে গত ১ জুলাই রাত ১০টার দিকে এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারী বাড়ি থেকে বের হন এবং প্রবল বৃষ্টির কারণে একটি দুর্গামন্দিরের বারান্দায় আশ্রয় নেন। ঘটনার পর দুই দিন পর রাত ২টার দিকে তিনি মুদি দোকানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বিদ্যুৎ সরকার ও আর্জেটিনা পুরুষদের দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীর ভাই পীরগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন, যেখানে পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজমুল হক নামে একজন ওসি তদন্ত পরিচালনার জন্য সম্মতি দিয়েছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সেই রাতে সর্মথক বিদ্যুৎ সরকার ও আর্জেটিনা পুরুষদের দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। র প র র প রগঞ জেলার বিভিন্ন গ্রামে এ ধরনের ঘটনা অপরিহার্য হয়ে আসছে এবং মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাদের প্রতি অত্যাচার বৃদ্ধির কারণে এটি একটি চিংকি ঘটনা বিশেষ।
ধর্ষণের পরিস্থিতি ও অভিযোগ প্রক্রিয়া
ভুক্তভোগী নারী তাঁর বাড়ি থেকে বের হন এবং র প র র প রগঞ ইউনিয়নের বারাইপাড়া গ্রামে অবস্থিত একটি দুর্গামন্দিরের বারান্দায় আশ্রয় নেন। অভিযোগ উঠেছে যে ঘটনার সময় তিনি পরিচিত ব্যক্তিদের কাছে আটকে থাকেন এবং র প র র প রগঞ জেলার প্রসিদ্ধ কোনো কারাগার নয়, এ ঘটনার পর তাঁকে মুদি দোকানে নিয়ে যাওয়া হয়। তদন্তে পীরগঞ্জ থানা দুই দিন পর রাত ২টার দিকে তিনি অবস্থান করেন। এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং র প র র প রগঞ জেলার মানুষের মধ্যে সামাজিক প্রতিক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ছে। তিনি নিজের ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন যে তাঁকে পাঁচ অভিযুক্ত দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের চেষ্টা করে।
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজমুল হক বলেন, “আমি অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।” র প র র প রগঞ জেলার বিভিন্ন স্থানে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীদের সম্পর্কে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে অভিযোগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে। তিনি অভিযোগের তদন্ত পরিচালনার জন্য অবশ্যই সম্পূর্ণ স্বাক্ষর করবেন। পীরগঞ্জে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর সাথে সংশ্লিষ্ট ঘটনার পর কিছু বিশেষ করে র প র র প রগঞ ইউনিয়নে সামাজিক চিংকি হচ্ছে।
অভিযুক্তদের পরিচয় ও তদন্ত প্রক্রিয়া
অভিযোগ প্রাপ্ত হওয়ার পর পীরগঞ্জ থানার তদন্ত কমিটি র প র র প রগঞ জেলার বিভিন্ন গ্রামে তদন্ত করছে। বর্তমানে র প র র প রগঞ ইউনিয়নে আসামি করা হয়েছে চারজন অভিযুক্তকে, যাদের মধ্যে রয়েছে পার্বতীপুর গ্রামের রতন মিয়া, হবিবর রহমান এবং মিথুল। তিনি র প র র প রগঞ জেলার বিদ্যুৎ সরকার ও আর্জেটিনা পুরুষদের সাথে সম্পর্ক রাখেন। অভিযুক্তদের পরিচয় স্থাপনের জন্য থানা পক্ষ থেকে নিরাপত্তি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। র প র র প রগঞ থানা তদন্ত প্রক্রিয়া চালু করেছে এবং সম্পূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করার জন্য পরিচালনা চলছে।
র প র র প রগঞ জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অভিযোগ গুলি শুনানো হচ্ছে এবং পীরগঞ্জ থানার কর্মকর্তা �
