কিশোরগঞ্জে মসজিদে সিলিং ফ্যান চুরির ঘটনায় ক্রেতাসহ দুই আসামী গ্রেপ্তার
ক শ রগঞ জ মসজ দ র – কিশোরগঞ্জের জামে মসজিদে সিলিং ফ্যান চুরির ঘটনায় ক্রেতাসহ দুই আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত তথ্য অনুযায়ী, মসজিদ থেকে মোট ১৭টি সিলিং ফ্যান চুরি হয়েছে। পুলিশ তদন্নার পর এই দুই আসামীকে হোসেনপুর থানায় হেফাজতে নেয়া হয়। কিশোরগঞ্জে মসজিদের সিলিং ফ্যানগুলো ছিল স্থানীয় মূল্য অনুযায়ী উপলব্ধ প্রধান বস্তুগুলোর মধ্যে একটি, এবং এগুলো সাধারণত বার্ষিক মেলা বা সাধারণ মুক্তি কার্যক্রমের সময় ক্রয় করা হত। ঘটনার পর থেকে কিশোরগঞ্জে মসজিদ কমিটির পক্ষে চৌকি করা হয়েছিল এবং পুলিশ তদন্নার প্রক্রিয়া গত মে মাস থেকে চালু হয়। ঘটনার নিকটতম সময়ে পুলিশ সিসিটিভি ভিডিও বিশ্লেষণের মাধ্যমে আসামীদের শনাক্ত করেছিল এবং তাদের সংগ্রহ করে তদন্না কার্যক্রম সম্পন্ন করেছিল।
আসামীদের পরিচয় ও চুরি ঘটনার বিস্তারিত তথ্য
গ্রেপ্তার করা আসামী হলেন হোসেনপুর পৌর সদরের পশ্চিম দীপেশ্বর এলাকার পারভেজ মোশারফ এবং নতুন বাজারে ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ বিক্রি করা হলুদ মিয়া। এই চুরি ঘটনা গত মে মাস থেকে শুরু হয়ে ছিল কিশোরগঞ্জে মসজিদ কমিটির কর্মকর্তাদের কাছে অবহিত করা হয়েছিল। পুলিশ তদন্নার ফলে বুঝতে পারেন যে এই দুই আসামী সম্ভবত একত্রে কাজ করেছে। বিস্তারিত তথ্য অনুযায়ী, চুরি ঘটনার সময় এই দুই ব্যক্তি সামনে থেকে কিশোরগঞ্জে মসজিদে সিলিং ফ্যানগুলো সংগ্রহ করে এবং এগুলো পরবর্তীতে ক্রয় করেছিল। এই ঘটনার পর হোসেনপুর থানায় ক্রেতাসহ দুই আসামী বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়।
কিশোরগঞ্জে মসজিদের সিলিং ফ্যানগুলো ছিল দীর্ঘ কাজ করা হলুদ মিয়া দ্বারা বিক্রি করা হয়েছিল। পুলিশ তদন্নার ফলে তাঁর দোকান থেকে দুটি সিলিং ফ্যান উদ্ধার করেছে এবং এই মামলায় ক্রেতার সাথে এই দুই আসামীর দোষী প্রমাণ করা হয়েছে। কিশোরগঞ্জে মসজিদের জনপ্রিয় বস্তুগুলো ছিল মূল্য সীমা অনুযায়ী জনগণের প্রয়োজনীয় দ্রব্য হিসেবে বিবেচিত। পুলিশ তদন্নার সময় সিসিটিভি ভিডিও এবং ঘটনার তথ্য পরীক্ষা করেছিল যাতে এই চুরি ঘটনার দুই আসামী আসামীদের চিহ্নিত করা হয়।
পুলিশের তদন্নার প্রক্রিয়া এবং ক্রেতার ভূমিকা
হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম জানান, কিশোরগঞ্জে মসজিদের সিলিং ফ্যান চুরির ঘটনার তদন্নার জন্য তাঁরা বিভিন্ন সাক্ষ্যদাতার সাথে যুক্ত হয়েছিলন। পুলিশ সিসিটিভি ভিডিও বিশ্লেষণের ফলে দুই আসামী আসামীদের চোখে চোখ পড়েছে। ঘটনার পর দুই আসামীকে হোসেনপুর থানায় এবং কিশোরগঞ্জে মসজিদ কমিটির সাথে যোগাযোগ করে তদন্না কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছিল। ক্রেতার প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি মসজিদে সিলিং ফ্যানগুলো সম্পর্কে বিস
