Bangladesh

ফরিদপুরে পরীক্ষা ছাড়াই অস্ত্রোপচারে কলেজছাত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ

ফরিদপুরে আলজারা হাসপাতালে অস্ত্রোপচার ছাড়াই কলেজছাত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ

ফর দপ র পর ক ষ ছ – ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলার আকোটেরচর ইউনিয়নের কালিখোলা গ্রামে সৌদিপ্রবাসী লিটু মাতুব্বরের স্ত্রী আলেয়া বেগম আলজারা স্পেশালাইজড হসপিটালে অস্ত্রোপচার করার পর তাঁর মেয়ে আয়েশা আফরিনের মৃত্যুর ঘটনা বর্ণনা করেছেন। তাঁর অভিযোগ অনুসারে, ছোট আকারের অ্যাপেন্ডিসাইটিস শনাক্ত হওয়ার পর চিকিৎসার পরিবর্তে অপারেশন থিয়েটারে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁর পেটে অস্বাভাবিক ছিদ্র ছিল বলে জানানো হয় এবং অপারেশনে পেট কেটে ফেলা হয়।

‘আমার মাইয়্যাডারে ওরা মাইর‍্যা ফেলায়ছে, কত সুন্দর মাইয়্যা আমার, সুস্থভাবে আনছিলাম, ওরা মাইর‍্যা ফেলছে।’

তদন্তে জানা যায়, আয়েশা আফরিন গত বৃহস্পতিবার ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান ফটকের বিপরীত পাশে অবস্থিত আলজারা হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করানো হয়। সেখানে পরীক্ষা করার জন্য রাতে নিয়ে যাওয়া হয় কিন্তু অপারেশন সম্পন্ন হওয়ার পূর্বে আতিকুল আহসান নামের সার্জারি চিকিৎসক আতঙ্ক সৃষ্টি করে বলেছিলেন ছোট আকারের অ্যাপেন্ডিসাইটিস ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে ওই হাসপাতালের ডাক্তারদের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ তুলে ধরা হয়।

অ্যাপেন্ডিসাইটিস শনাক্ত করা হয় ফরিদপুর শহরের ল্যাব এইড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। সেখান থেকে তাঁর ভাষ্য, ডাক্তারের মাধ্যমে নিরীক্ষণ করে চাইলে অপারেশন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু আতিকুল আহসান আসেন এবং পেটের ভেতরে অ্যাপেন্ডিসাইটিস ছড়িয়ে পড়েছে বলে ঘোষণা করেন। তখন আল্ট্রা করার জন্য হাসপাতালে আসার আগে এক লোক বলে আসে সে করতে পারে না। পরে ডাক্তারকে গিয়ে বললে তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন যে তিনি চলে যাবেন, আর অপারেশন করবেন না।

মৃত্যুর পর পরিবার সমালোচনা করে যায়। ঘটনাটি গতকাল রাত ১০টা থেকে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সিভিল সার্জন মাহামুদুল হাসান জানান যে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটিতে ডেপুটি সিভিল সার্জন বদরুদ্দোজা টিটুকে প্রধান করা হয়।

হাসপাতালটির চেয়ারম্যান শামীম আশরাফ বলেন, ওই রোগীর নাড়ির ভেতরে ছিদ্র ছিল এবং তার কারণে অপারেশন করা হয়। তিনি বলেন, আগে পরিবারকে সম্পূর্ণ বিবরণ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু মারা যাওয়ার পর বিভিন্ন মহলের মাধ্যমে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ে।

যদিও জেলা সিভিল সার্জন মাহামুদুল হাসান দাবি করেন যে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কিন্তু চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল একই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অস্ত্রোপচারের পর মিম (১৪) নামের এক কিশোরীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছিল। পরিবারের অভিযোগ ছিল যে অপারেশনে গলার গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালি কেটে যাওয়ায় সে মারা যায়।

অন্যদিকে গতকাল রাত ১১টায�

Leave a Comment