৯৬% অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে না শিশুদের শরীরে
৯৬ অ য ন ট ব য় – রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একটি গবেষণার মাধ্যমে চিকিৎসকদের ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে বিভিন্ন জীবাণু অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। গবেষণার ফলাফল প্রকাশে দেখা গেছে, হাসপাতালটির শিশু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে প্রথম সারির প্রায় সব অ্যান্টিবায়োটিকই অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
গবেষণার সংখ্যাগুলি
২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চার মাস ধরে পরিচালিত গবেষণায় পিআইসিইউতে চিকিৎসাধীন ৪৯টি শিশুর জীবাণু পরীক্ষা করা হয়। তার মধ্যে ৩০টি গ্রাম-নেগেটিভ জীবাণু এবং ১৯টি গ্রাম-পজিটিভ জীবাণু পাওয়া গেছে।
আগে কাজ করা অ্যান্টিবায়োটিকগুলি বিরুদ্ধে সেখানে প্রতিটি গ্রাম-নেগেটিভ জীবাণু প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। বিশেষত ইমিপেনেম, মেরোপেনেম, পাইপেরাসিলিন-টাজোব্যাক্টাম, সিপ্রোফ্লক্সাসিন, জেন্টামাইসিন এবং অ্যামিকাসিনের প্রতি প্রতিরোধের হার যথাক্রমে ৯৬.৭%, ৯৬.৪%, ৯৬.৪%, ৯০%, ৮৯.৩% এবং ৮৭.৫%।
এ বিষয়ে ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, “সাম্প্রতিককালে পিআইসিইউতে থাকা শিশুদের শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগেও কোনো সুফল না পেয়ে গবেষণার সিদ্ধান্ত নেন।”
গুরুতর প্রতিরোধ চিত্র
গবেষণার মূল লক্ষণ হল গ্রাম-নেগেটিভ জীবাণুগুলি ছয়টি প্রথম সারির অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। এ অবস্থায় হাসপাতালে কাজ করছে মাত্র দুটি অস্ত্র—টাইজেসাইক্লিন ও কলিস্টিন।
অন্যান্য জীবাণুগুলি মধ্যে ই. কোলাই ৬.১%, সুডোমোনাস অ্যারুজিনোসা ৪.১%, সেরাশিয়া মারসেসেন্স ৪.১%, স্ফিংগোমোনাস পসিমোবিলিস ৪.১% এবং এলিজাবেথকিংগিয়া মেনিনগোসেপ্টিকা ২% পাওয়া গেছে।
প্রতিরোধের প্রবণতা
জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সংগৃহীত ২০টি জীবাণুর মধ্যে প্রথম সারির ছয়টি অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি প্রতিরোধের হার ছিল ৮৩.৮%। কিন্তু এপ্রিল মাসে এই হার ১০০% পৌঁছে গেছে।
এই পরিবর্তন পরিসংখ্যানগতভাবে গুরুতর বলে বিবেচনা করা হচ্ছে। গবেষকদের মতে এটি প্রতিরোধ বাড়ার সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রতিরোধ গঠনের কারণ
৪৯টি শিশুর মধ্যে ২৭টি ছেলে ও ২২টি মেয়ে। বয়সের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শিশু ১ থেকে ৫ বছরের মধ্যে ছিল।
গবেষণার ফলাফল দেখা গেছে য
