সরকারি খাতে কৃত্রিম প্রজনন সেবা অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ হবে
সরক র খ ত ক ত র – সরকারি খাতে কৃত্রিম প্রজনন সেবা বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ এ আই টেকনিশিয়ান কল্যাণ সমিতি। মো. আজাদ হোসেন, সভাপতি গত মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের আকরম খাঁ হলে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আগের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার আউটসোর্সিং বা রাজস্ব ভিত্তিক নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে তিনি দাবি করেন যে আইনি কারণে সেই বিষয়টি বাস্তবায়ন হয়নি। সরকারি খাতে কৃত্রিম প্রজনন সেবার কর্মচারীদের কাছে আপেক্ষিক প্রতিশ্রুতি বা মজুরি নির্ধারণ হয়নি বলে তারা আন্দোলন বাড়িয়েছে।
বিষয়টির মূল কারণ
সরকারি খাতে কৃত্রিম প্রজনন সেবাগুলি বন্ধ রাখার পিছনে আছে আন্দোলনের সাথে কার্যত সম্পূর্ণ অসম্পূর্ণ মুক্তিপ্রার্থীদের কাজ করা নিয়োগ ব্যবস্থা। আগের বছরে প্রাণিসম্পদ এ আই টেকনিশিয়ান কল্যাণ সমিতি গবাদিপশু জাত উন্নয়নের প্রতি সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু তারা সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি। সরকারি খাতে কৃত্রিম প্রজনন সেবার কর্মচারীরা আশা করেছিলেন যে তাদের বেতন স্থায়ী করে দেয়া হবে, কিন্তু সেই আশা মুলুকে বাস্তবায়ন হয়নি।
সরকারি খাতে কৃত্রিম প্রজনন সেবার কর্মচারীদের একটি প্রধান আবেদন ছিল বেতন স্থায়ী করার জন্য। সংবাদ সম্মেলনে তারা আরও জানায় যে সরকার আগামী ১ জুলাই থেকে কৃত্রিম প্রজনন সেবাগুলি বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। এই বন্ধ ঘোষণার পরিণতি ছিল গবাদিপশু জাত উন্নয়নের কাজে ব্যাহত হওয়া এবং কর্মচারীদের বেতন না পেয়ে আন্দোলন বাড়তে থাকে।
আন্দোলনের প্রতিশ্রুতি ও বর্তমান অবস্থা
সরকারি খাতে কৃত্রিম প্রজনন সেবার কর্মচারীদের আরও দাবি ছিল আন্দোলনের প্রতিশ্রুতি পূরণ করার জন্য। মো. আলী জিন্নাহ, সমিতির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ঘোষণা করেন যে গবাদিপশু জাত উন্নয়নের কৃত্রিম প্রজনন সেবা আগামী দিনগুলি বন্ধ থাকবে। সেই বিষয়টি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে।
‘সরকারি খাতে কৃত্রিম প্রজনন সেবার কর্মচারীরা এখন আমাদের নিয়োগ চাই। মজুরি দিলে আমরা কাজে ফিরে যাব।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম এবং কার্যকরী সদস্য মো. মাসুদ করিম সহ অন্যান্য সদস্যরা। সরকারি খাতে কৃত্রিম প্রজনন সেবার সংকট ছিল গবাদিপশু জাত উন্নয়ন প্রকল্পে কর্মচারীদের প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত। আন্দোলনের সাথে সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু সেগুলি আস্থার কথা হয়নি।
আন্দোলনের প্রতিশ্রুতি ও পরিণতি
সরকারি খাতে কৃত্রিম প্রজনন সেবার কর্মচারীরা আন্দোলন চালিয়েছে কাজ করার প্রতিশ্রুতি না পেয়ে। তারা দাবি করেন যে সরকার আউটসোর্সিং বা রাজস্ব ভিত্তিক নিয়োগ ব্যবস্থা অবলম্বন করে কর্মচারীদের বেতন প
