Bangladesh

স্কুল ফিডিংয়ের দুধে পোকা, ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টায় বাজিতপুর শিক্ষা অফিস

বাজিতপুরে স্কুল ফিডিংয়ের দুধে পোকা ধরা আর নিম্নমানের পণ্য পৌঁছানো অভিযোগ উঠেছে

শিক্ষার্থীদের খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে উঠেছে বিতর্ক

স ক ল ফ ড য় র – কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির শিশুদের জন্য চালু করা স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে দুধ সরবরাহের গুণ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রতিবেদন বা প্রতিক্রিয়া ছাড়া দুধের প্যাকেটে পোকা ধরা এবং নিম্নমানের পণ্য দেওয়ার অভিযোগ অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে গেছে। বাজিতপুরের ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাণ গ্রুপের নরসিংদী ডিপো মাধ্যমে ১১ থেকে ২২ জুন পর্যন্ত ইউএইচটি দুধ বিতরণ করা হয়।

দুধ পৌঁছানোর পর থেকে হুমায়ুনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ বিভিন্ন স্থানে প্রশ্ন উঠেছে। এক অভিভাবক সোমবার স্কুল ফিডিংয়ের প্রতিষ্ঠানে দেখা করে দুধের প্যাকেটগুলিতে ধুলাবালু ও ময়লা জমে ছিল এবং কিছুতে পোকা ঘোরাফেরা করছিল বলে অভিযোগ করেন। এই দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি আলোচনায় আসে।

তিনি বলেন, ‘আমরা অসহায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভুক্তভোগী আমরাই।’

স্থানীয় অভিভাবকদের মতে, স্কুল ফিডিংয়ের প্রধান উদ্দেশ্য শিশুদের নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ করা। প্যাকেটে পোকা থাকার বিষয়টি প্রতিবেদনে কেন উল্লেখ নেই তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠায়, যেখানে নষ্ট দুধ বিতরণ না করে আলাদা করে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তবে ওই প্রতিবেদনে পোকা ধরা প্যাকেটের বিষয় অনুল্লেখিত হয়নি।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ বলেন, ‘এ বিষয়ে যা বলার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এবং তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।’ তিনি প্যাকেটে পোকা থাকার বিষয়টি প্রতিবেদনে কেন এড়িয়ে গেছে তা ব্যাখ্যা দেননি। যে খাবার একজন সুস্থ মানুষ চোখে দেখলে মুখে তুলবে না, তা শিশুদের দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চিন্তা ছড়িয়েছে।

হুমায়ুনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাহমিনা আক্তার বলেন, তিনি এমন দুধের প্যাকেটগুলি দেখে তা আলাদা করে রেখেছিলেন। এরপর বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসে পৌঁছেছিল। যে প্রতিবেদনে নিম্নমানের দুধ এব

Leave a Comment