শিক্ষক-ছাত্রীর অনৈতিক সম্পর্ক, অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি
Table of Contents
তদন্তে নিশ্চিত: ভোলা সরকারি কলেজে শিক্ষক-ছাত্রীর অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ সত্য
Banglajibon.com – শ ক ষক ছ ত র র – ভোলা সরকারি কলেজের মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগে এক প্রভাষক ও একই বিভাগের এক ছাত্রীর মধ্যে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ সম্পূর্ণ প্রমাণিত হয়েছে। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ মাসুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অভিযোগের উদ্ভব ও তদন্ত কমিটির গঠন
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও কলেজ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ভিডিওতে ওই শিক্ষক ও ছাত্রীর সম্পর্কের বিষয় দেখানো হয়েছিল। এরপর অভিযোগ আমলে নিয়ে কলেজ প্রশাসন তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়। ১০ আগস্ট অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ইসরাফীল স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এই কমিটির গঠন ঘোষণা করা হয়।
কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে নিযুক্ত হন হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ মাসুদ। সদস্যপদে থাকেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. এরশাদ ও ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের প্রভাষক মো. এমরান। আদেশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক শুভ্রদেব সূত্রধরের সঙ্গে একই বিভাগের এক ছাত্রীর অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা তদন্তই কমিটির কাজ।
তদন্তের ফলাফল ও প্রতিবেদন জমা
অভিযুক্ত শিক্ষক ও ছাত্রীর বাসস্থানে সরেজমিনে তদন্ত পরিচালনা করে কমিটি তিন কর্মদিবসের মধ্যেই অধ্যক্ষের নিকট প্রতিবেদন পৌঁছে দেয়। গত বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে এই প্রতিবেদন জমা হয়।
আমরা অত্যন্ত নিরপেক্ষতা ও যথাযথ তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে যেটা আমাদের কাছে সঠিক বিচার-বিবেচনা মনে হয়েছে, ঠিক সেটাই করেছি। তদন্তে সেই শিক্ষক-ছাত্রীর অনৈতিক সম্পর্কের ঘটনা প্রমাণিত। বিষয়টি ওই শিক্ষক ও ছাত্রী উভয়ে আমাদের কাছে স্বীকারও করেছে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আর্থিক লেনদেনের প্রমাণও আমরা পেয়েছি। একটি পক্ষ এই অবৈধ লেনদেন করেছে। তাদের নামও আমরা তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছি। পাশাপাশি আমরা অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রচলিত সরকারি চাকরি বিধিবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থার জন্যও সুপারিশ করেছি এবং আমার জানামতে, এই সুপারিশ বিশেষ বাহক মারফত শনিবার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
এ কথাগুলো বলেন তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক নুর মোহাম্মদ মাসুদ। তিনি জানান, উভয় পক্ষই ঘটনার স্বীকার করেছে এবং ধামাচাপার চেষ্টায় জড়িত আর্থিক লেনদেনের প্রমাণও পাওয়া গেছে।
অধ্যক্ষের বিবৃতি ও অভিযুক্ত শিক্ষকের অবস্থান
প্রভাষক শুভ্রদেব সূত্রধরের মোবাইলে ফোন করলে বন্ধ পাওয়া যায়; বিভাগে গিয়েও তাঁকে পাওয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে ভোলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ইসরাফীল আজ বিকেলে জানান:
তদন্ত কমিটি তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে। তারা ভোলা সরকারি কলেজের মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক শুভ্রদেব সূত্রধরের সঙ্গে একই বিভাগের এক ছাত্রীর অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে। আমরা সেটা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছি। এখন মন্ত্রণালয় সেই অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is শ ক ষক ছ ত র র?
শ ক ষক ছ ত র র is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does শ ক ষক ছ ত র র matter?
শ ক ষক ছ ত র র matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
