বিএম কলেজের হলে ৩ দিন আটকে ছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগ
ব এম কল জ র হল ৩ – ব এম কল জ র হল এর সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুসারে বরিশাল স্থিত বিএম কলেজের ছাত্রাবাসে মো. সাগর নামের এক ছাত্রের তিন দিন ধরে আটকে রাখার ঘটনায় নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি অশ্বিনীকুমার হলের এ ব্লকে ঘটেছে, যেখানে ছাত্র কলেজের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রদের দ্বারা একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবেদন এখন আইনি প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করেছে কিনা তা আবিষ্কার করা হচ্ছে।
অভিযোগের বিস্তার
অশ্বিনীকুমার হলের সুপার আসাদুজ্জামান জানান যে মো. সাগর কে অর্থনীতি বিভাগের ছাত্রদের দ্বারা আটকে রাখা হয়। তিনি তার বাড়ি ভোলায় রয়েছেন। সূত্র অনুসারে কলেজের পক্ষ থেকে ছাত্রকে দেড় লাখ টাকা চাঁদা চাওয়া হয়েছিল এবং ইতিমধ্যে তিনি ১০ হাজার টাকা দিয়েছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও গুরুতর অভিযোগ প্রমাণ করা হয়নি, কিন্তু ছাত্রের দাবি থেকে তাকে মারধর করা হয়েছিল এবং তার পরিচয় হারানোর আশংকা ছিল। খবর পেয়ে ওই ছাত্রকে তারা উদ্ধার করেন।
ব এম কল জ র হল এর ছাত্রদের মধ্যে এই ঘটনা দ্বারা একটি তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। কলেজের স্থাপনার মাধ্যমে ছাত্রদের অবস্থা নিয়ে সমস্যা চালু হয়েছে। বিভাগের ছাত্রদের দ্বারা নির্যাতনের অভিযোগের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় সূত্র অনুসারে অনেক ছাত্র এ ঘটনার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন এবং বিএম কলেজের স্থায়ী আটকে রাখা বিষয়টি একটি সামাজিক চর্চার বিষয় হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে সময় বিতেছেন।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুন উল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি নিয়ে তারা আরো খোঁজ নিয়ে প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। বিএম কল জ র হল এর স্থানীয় ছাত্রদের মধ্যে ঘটনার প্রতিবেদন বিস্তার করা হচ্ছে। তিনি ঘটনাটি পর্যন্ত জানেন না, কিন্তু তদন্নার জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন।
বিএম কল জ র হল এর ছাত্রদের আটকে রাখার ঘটনা পরিচালনা করা হয়েছে যেখানে ছাত্র কে পরিচয় হারানোর সম্ভাবনা ছিল। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি প্রক্রিয়া বা অভিযোগ জানানো হয়নি। ছাত্র কে আটকে রাখা হয়েছিল যেখানে কলেজের ছাত্রাবাসে তাকে তিন দিন ধরে বন্দী করা হয়। এ ঘটনা অনেকে জানে কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনও সংকট ঘটেনি।
ছাত্র কে আটকে রাখার প্রতিবেদন ছাত্রাবাসের অর্থনীতি বিভাগের ছাত্রদের কার্যকলাপের দ্বারা বিস্তার করা হচ্ছে। বিভাগের ছাত্ররা দেড় লাখ টাকা চাঁদা চাওয়ার আহ্বান জানান যার ফলে মো. সাগর কে অর্থ দিতে হয়েছে। এটি পরিচালনার প্রতি সমালোচনা ঘটেছে। বিএম কল জ র হল এর সংশ্লিষ্ট বিভাগে ছাত্র এর সাথে সম্পর্কিত আটকে রাখার প্রক্রিয়া চলছে।
বিএম কলেজের স্থানীয় পরিচয়
বিএম কল জ র হল স্থানীয় ছাত্রদের মধ্যে এখন নিশ্চিত কর
