বনশ র ত ম দ র মাদ্রাসায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে আরেক শিক্ষার্থী
বনশ র ত ম দ র স – বনশ র ত ম দ র অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার পর গ্রেপ্তার করা হয়েছে আরেক শিক্ষার্থী। পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার পুলিশ গত বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে গ্রেপ্তার করেছে মো. আব্দুল্লাহকে, যিনি বনশ র ত ম দ র মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। গত মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে তার ঝুলন্ত মৃতদেহ বনশ র ত ম দ র মাদ্রাসার তৃতীয় তলার বাথরুম থেকে উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাকে ঢাকায় নিয়ে যায়।
পুলিশের অভিযান এবং গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া
বেড়া মডেল থানার উপপরিদর্শক মন্তাজ আলী জানান, রামপুরা থানার এসআই একরামুল হকের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়েছিল পুলিশ। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় বেড়ায় অভিযান চালিয়ে শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহকে আটক করা হয়। তদন্তে জানা গেছে যে আব্দুল্লাহ প্রথম দিকের শিক্ষার্থীদের একজন ছিল এবং হেফজ বিভাগে পড়াশোনা করত। মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, মঙ্গলবার মাগরিবের পর আব্দুল্লাহ বাথরুমে গিয়েছিল। সে কেবল দীর্ঘ সময় পর ফিরে আসেনি বলে শিক্ষকেরা দরজা ভেঙে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখেছিল।
তদন্তে গলায় গামছা প্যাঁচানো ছিল এবং শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পুলিশ গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে তথ্য সংগ্রহ করে চলছে। মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছে, যা সংঘটিত ঘটনার খন্ডনে কাজে লাগছে। বনশ র ত ম দ র মাদ্রাসার অবস্থা নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন চালু করা হয়েছে।
নিহত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার অনুপনগর গ্রামে বাস করত। তার পিতা আবুল কালাম আজাদ তার মৃতদেহ নিয়ে পুলিশকে সংযুক্ত করেছিলেন। গত কাল বুধবার মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষ আব্দুল্লাহকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছে। গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষার্থী বনশ র ত ম দ র মাদ্রাসার বাইরে টাঙ্গাইলে অবস্থান করছিল এবং তার বাবার মাধ্যমে যোগাযোগ করে পুলিশকে দেখতে পাঠানো হয়।
বনশ র ত ম দ র মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আব্দুল্লাহ প্রথম দিকের শিক্ষার্থীদের একজন ছিল এবং হেফজ বিভাগে পড়াশোনা করত। মাদ্রাসার দরজা ভেঙে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। সে যখন বাথরুমে প্রবে
