নদীতীর রক্ষায় খনন: ব্যক্তিগত জমির মাটির নিলাম চায় প্রশাসন
স্বেচ্ছায় জমি দিয়েছিলেন এলাকাবাসী
নদ ত র রক ষ য় খনন – ফরিদপুরের মধুখালীতে নদী ভাঙন থেকে বাসস্থান এলাকার বাসিন্দারা পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (পাউবো) ব্যক্তিগত জমি স্বাক্ষরে দিয়েছিলেন। নদীর তীর বাঁধাইয়ের জন্য পাউবো আরসিসি ব্লক দিয়ে ওই জমিতে খনন কাজ করে। কিন্তু নদীর জমির পাশাপাশি ব্যক্তিগত জমির খনন করা উদ্বৃত্ত মাটি নিলামে বিক্রির জন্য উপজেলা প্রশাসন উদ্যোগ নিয়েছে।
স্মারকলিপি দিয়েছেন এলাকাবাসী
আলফাডাঙ্গা উপজেলার মধুমতী নদী তীর সংরক্ষণ কাজের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসনের নিলাম আয়োজনের বিরোধিতা করে এলাকাবাসী জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি পাঠান। প্রতিবাদ করা হয়েছে এর মধ্যে বিশেষ করে ব্যক্তিগত মাটি ভরাটের জন্য স্থানীয় জমি মালিকদের উপর নিলাম প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে।
ইউএনও মৌখিক নির্দেশ দিয়েছেন
গত সোমবার মধুমতী নদীর তীর রক্ষার কাজে এলাকাবাসী নিলামে মাটি বিক্রি হবে বলে ইউএনও কর্মকর্তাদের মৌখিকভাবে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেন বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ অনুসারে পাউবো কাজের জমি নিলামে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নিলাম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এলাকার কিছু মহলে
“মানুষের জানাজার জন্য আমাদের বড় কোনো মাঠ নেই, তাই মসজিদের পুকুর ভরাট করার উদ্যোগ নেয় এলাকাবাসী। সেই লক্ষ্যে আমাদের জমি থেকে উত্তোলন করা মাটি আনতে গেলে বাধা দেওয়া হয়েছে। ইউএনওর কাছে গেলেও নিলামে বিক্রি হবে বলে আমাদের জানিয়েছেন,” বলেন নওয়াব আলী নামের মসজিদ কমিটির সভাপতি।
পাউবো নদীর তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের জন্য এলাকার জমি অধিগ্রহণ করা হয় না। খননের মাটি বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, স্কুল ও রাস্তায় ব্যবহার করা হয়। ব্যক্তিগত জমির মাটি নিলামে বিক্রি করার জন্য উপজেলা প্রশাসন একটি কার্যক্রম চালু করেছে যা বাসিন্দাদের মধ্যে বিতর্ক তৈরি করেছে।
প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া ও প্রকল্প বিবরণ
ফরিদপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রওশনা জাহান বলেন, “নিলাম ছাড়া ওই এলাকার কোনো মাটি অন্যত্র নেওয়া যাবে না।” পাউবোর ফরিদপুর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব হোসেন বলেন, “পাউবো কাজ
