জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: নিরাপত্তা জোরদারে আরও ৫ সিদ্ধান্ত, আসামি ধরতে পুরস্কার ঘোষণা
জ ব ত ধর ষণচ ষ ট – জাবিতে ধর্ষণচেষ্টার পর প্রশাসন একটি জোরদার নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বৃহস্পতিবার সিনেট হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক মো. আবদুর রব এবং প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম এ তথ্য তুলে ধরেন। বিশ্ববিদ্যালয় পক্ষ থেকে গঠিত সাত সদস্যের একটি কমিটি তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযুক্তকে শনাক্ত করার জন্য প্রশাসন আসামি ধরতে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে। নিরাপত্তা পরিকল্পনার প্রাচুর্য জাবি এবং বাইরের সংস্থাগুলোকে বিশেষ ভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে।
অভিযুক্ত গ্রেপ্তারের জন্য যৌথ অভিযান
জাবি প্রশাসন বুলিং এবং রাগিং প্রতিরোধের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে জেলা পুলিশ, রাব, ডিবি, পিবিআই, সিআইডি ও ডিএমপিসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একটি যৌথ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান এবং সহকারী প্রক্টরদের মধ্যে। এই অভিযানে শনাক্ত করা আসামি ধর্ষণচেষ্টার ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তি নির্ধারণের জন্য একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রশাসনের নতুন পদক্ষেপ গুলো
“১২ মে রাতে সংঘটিত এ ন্যাককারজনক ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।”
১৪টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এবং আসামি ধরতে পুরস্কার ঘোষণার মধ্যে আসামি ধর্ষণচেষ্টার ঘটনার সংকটকে প্রতিক্রিয়া দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি অনুযায়ী, ঘটনার পর রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে আসামি ধরতে নিরাপত্তা জোরদারে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন আরও দুটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যা সংঘটিত ঘটনার জন্য সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এ কমিটি কর্তৃক সংস্থাগুলো সংখ্যাগরিষ্ঠ বাহিনী হিসাবে সহায়তা করছে এবং আসামি ধর্ষণচেষ্টার প্রতিক্রিয়া জোরদারে বিশ্ববিদ্যালয় কার্যক্রমকে বিশেষ ভাবে সংশোধন করছে।
বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আসামি ধরতে নিরাপত্তা জোরদারে পুরস্কার ঘোষণার বিষয়ে এ তথ্য তুলে ধরেন। এটি একটি গুরুতর অনুস
