Banglajibon.com – বগ ড় য় একট ম টরস ইক – “`html
বগুড়ায় মোটরসাইকেল উদ্ধার অভিযানে ছয়টি চোরাই ও ছিনতাই হওয়া বাইক পাওয়া গেছে
বগুড়া সদর থানার আওতাধীন এলাকায় একটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারের অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানের ফলে মোট ছয়টি চোরাই ও ছিনতাই হওয়া মোটরসাইকেল পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এসব বাইক চুরি ও কেনাবেচা কারবারের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার বিকেলে বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাহমান উদ্দিন মোরাদ সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, একটি মোটরসাইকেল উদ্ধারের জন্য অভিযান চালানো হলেও শেষ পর্যন্ত ছয়টি চোরাই ও ছিনতাই হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারদের পরিচয়
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী এলাকার লাল মিঞা (২৫ বছর) এবং মাসুম (২৬ বছর) রয়েছেন। শাজাহানপুর উপজেলার রহিমাবাদ গ্রামের লিটন (২২ বছর) এবং একই উপজেলার বড়পাথার এলাকার মিলন (৩০ বছর)ও গ্রেপ্তার হয়েছেন। এছাড়া বি-ব্লক এলাকার মোহাম্মদ আলী (২৮ বছর) গ্রেপ্তার হন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার অপর দুইজনের পরিচয় তদন্তের স্বার্থে প্রকাশ করা হয়নি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোরাদ আরও জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা মোটরসাইকেল চুরি ও কেনাবেচা সংক্রান্ত একটি চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
প্রথম ঘটনা: খোরশেদ আলমের মোটরসাইকেল চুরি
২৪ জুলাই গভীর রাতে রাজশাহী থেকে মোটরসাইকেলে রংপুর যাচ্ছিলেন বরিশাল সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজের নিরাপত্তাকর্মী খোরশেদ আলম। ভোর পৌনে চারটার দিকে বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়া বিমানবন্দরসংলগ্ন মহাসড়কের পাশে মোটরসাইকেল রেখে তিনি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে যান।
এই সময় পেছন থেকে আসা কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর বাজাজ ডিসকাভার ১০০ সিসি মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বগুড়া সদর থানায় মামলা করেন খোরশেদ আলম।
দ্বিতীয় ঘটনা: নাদিমের ছিনতাই
গত রোববার ভোরে গাইবান্ধা থেকে বগুড়া আসার পথে গোকুল ঈদগাহ মাঠের কাছে তিন ব্যক্তি নাদিমকে চাকু দিয়ে আঘাত করে তাঁর বাজাজ ডিসকাভার ১২৫ সিসি মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেন। নাদিম একটি সিগারেট কোম্পানিতে কর্মরত।
অভিযান ও গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া
মামলা হওয়ার পর সদর থানা-পুলিশের একটি দল মোটরসাইকেলটি উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। বুধবার দুপুরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গাবতলীর বাগবাড়ী বাজার থেকে লাল মিঞা ও মাসুমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শাজাহানপুর এলাকা থেকে চোরাই মোটরসাইকেলসহ মিলন ও লিটনকে এবং পরে বি-ব্লক এলাকা থেকে মোহাম্মদ আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে বৈধ কাগজপত্রবিহীন একাধিক মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
উদ্ধার করা মোটরসাইকেলগুলো দেখানো হলে গত রোববার (২৬ জুলাই) ছিনতাইয়ের শিকার হওয়া নাহান বাশার খান নাদিম তাঁর মোটরসাইকেলটি শনাক্ত করেন।
চক্রটির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আগে কোনো মামলা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
“`

