প্রশাসনের হস্তক্ষেপে শতবর্ষী মায়ের আবারও প্রতিবাদ
প রশ সন র হস তক ষ – বৃহস্পতিবার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামে কুমিল্লার প্রশাসনের হস্তক্ষেপে শতবর্ষী মা ছামেনা খাতুনের কাছে একটি সংঘটন ঘটেছে। এই সংঘটনটি ছেলে ফয়েজ আহাম্মদের নতুন ভবন ঘর নির্মাণের কারণে ঘটেছে। পুত্রবধূ রুমা বেগম ছামেনা খাতুনকে একটি স্থান থেকে অপসারণ করেন, যার ফলে মা ছামেনা খাতুন একটি বিস্তারিত আবেদন করেন। গতকাল বুধবার আজকের পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে “ছেলের নতুন ভবনে ঠাঁই হলো না শতবর্ষী মায়ের” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রশাসনের দৃষ্টিগোচর হয়। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহাদাৎ হোসেন তাঁর হস্তক্ষেপে কাজ শুরু করেন।
ঘটনার প্রতিক্রিয়া এবং প্রশাসনের পদক্ষেপ
প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মায়ের আবারও ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আবুল বশর। তিনি বলেন, “ইউএনও স্যার আমাকে কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। আমি এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় লক্ষীপুর গ্রামে পৌঁছে ছামেনা খাতুনকে নতুন ভবনে ঠাঁই দেওয়া হয়।” প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পুত্রবধূ রুমা বেগম অদূর ভবিষ্যতে মা ছামেনা খাতুনকে বিনা বাধায় থাকতে দেওয়ার জন্য লিখিত মুচলেকা দেন। এই ঘটনার পর থেকে ছামেনা খাতুনের আবারও বাসস্থান নিশ্চিত হয়েছে।
অনুতাপ এবং সমাধানের প্রক্রিয়া
বৃহস্পতিবার সকালে ছামেনা খাতুন অপসারণ করার পর পুত্রবধূ রুমা বেগম তাঁর সম্প্রদায়ের কাছে অনুতাপ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমি ছামেনা খাতুনের কাছে ক্ষমা চেয়েছি এবং আর কোনো অন্যায় ঘটবে না বলে লিখিত মুচলেকা দিয়েছি।” প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিষয়টি সমাধান করা হয়। আবুল বশর দাবি করেন, এই ঘটনার পর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের মধ্যে বিতর্ক হয়েছে। তাঁদের অনুপ্রান্ত নিয়ন্ত্রণ এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ছামেনা খাতুন নতুন ভবনে ঠাঁই পেয়েছেন।
লক্ষীপুর গ্রামের পরিবার এবং স্থানীয় সম্প্রদায় এই সমাধান নিয়ে আনন্দিত। আলকরা ইউনিয়নের প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মায়ের বাসস্থান নিশ্চিত হয়েছে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ছেলে ফয়েজ আহাম্মদ আবারও বাড়ি ঘর দখল করেন। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আরও সামঞ্জস্য ঘটেছে। কিছু গণমাধ্যমে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণ করা হয়।
গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিক্রিয়া সামাজিক চর্চার মাধ্যমে আসে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এই ঘটনা সমাধান করা হয়। আলকরা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আবুল বশর বলেন, “প্রশাসনের হস্তক্ষেপে আমরা এই সংঘটন নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। আবার তিনি ছামেনা খাতুনকে নতুন ভবনে ঠাঁই দেওয়া হয়েছে।” এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় স্থানীয় সম্প্রদায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে আন্তরিক মনোযোগ দেখিয়েছে।
প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ছামেনা খাতুন আবারও বাসস্থানে পৌঁছেছেন। তাঁর ছেলে ফয়েজ আহাম্মদ নতুন ভবন ঘর
