মমেক হাসপাতাল: তিন মাসে হামে আক্রান্ত শিশুদের মৃত্যু ঘটেছে আইসিইউ না থাকায়
মম ক হ সপ ত ল – তিন মাসে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুদের মৃত্যু ঘটেছে আইসিইউ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিভাবকদের ক্ষোভ ছিল। মমেক হাসপাতালে শিশুদের অবস্থা জটিল হলে তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে পাঠানোর ব্যবস্থা হয়নি, কিন্তু বিকল্প হিসেবে বাবল সিপ্যাপ ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিশেষ পদ্ধতিতে তৈরি করা হয়েছে এই যন্ত্র। প্লাস্টিকের বোতলে পানি দিয়ে যন্ত্রটি তৈরি করা হয়। বোতলে একটি নল লাগিয়ে শিশুর নাকে মাস্ক দেওয়া হয়, যা হাসপাতালের কেন্দ্রীয় অক্সিজেন সরবরাহের সাথে সংযুক্ত হয়। কিন্তু এই যন্ত্রটি কেবল একটি বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে কাজ করছে এবং এটি পরিচালনার সময় বেশি সমস্যা সৃষ্টি করছে বলে মনে করা হচ্ছে।
রাফসানের মৃত্যুর ঘটনা
গাজীপুরের শ্রীপুরে গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ির চা দোকানি পারভেজ মোশাররফের সন্তান রাফসানের জ্বর ও নিউমোনিয়া দেখা দিলে ছোটাছুটি শুরু হয়েছিল। হাম টিকা দেওয়ার পর শিশুটির অবস্থা আরও খারাপ হয়েছিল। এরপর মাওনা বেসরকারি আল হেরা হাসপাতাল থেকে মমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু তার চিকিৎসা সাফল্য ফলেনি।
‘ছেলেকে বাঁচাতে চেষ্টা করিনি কেউ। আক্ষেপ শুধু একটাই—যদি একটি আইসিইউ থাকত, তাহলে হয়তো আমার কোল খালি হতো না।’ বলেছেন রাফসানের পিতা পারভেজ মোশাররফ।
হাম ও উপসর্গে আরও এক শিশু মৃত্যুবরণ করেছে। গত শুক্রবার তার মৃত্যু হয়েছে। এটি পরিচালনার সাথে পরিচালনার দুর্দান্ত সংখ্যা সৃষ্টি করেছে। মমেক হাসপাতাল থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে গত ২৪ ঘণ্টায় শিশু সংখ্যা হামে আক্রান্ত ১৯ জন। এই সময়ে কেউ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন না। বর্তমানে হাসপাতালে হাম ও উপসর্গে চিকিৎসাধীন ১০০ শিশু রয়েছে।
হাসপাতালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৭ মার্চ থেকে গতকাল পর্যন্ত হাম আক্রান্ত ২ হাজার ৬২ রোগী ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ হাজার ৯১২ জন শিশু এবং ৫০ জনের মৃত্যু হয়ে
