ঝিনাইদহে পশু বিক্রি: কবজায় নেতারা নিয়ন্ত্রণ বিস্তার করছেন
ঝ ন ইদহ পশ ব ক র – ঝিনাইদহ জেলায় পশু বিক্রি করতে স্থায়ী ও অস্থায়ী মোট ২৪টি হাট চালু আছে। এই হাটগুলো পরিচালনার জন্য উপজেলা প্রশাসন দরপত্রের আহ্বান করেছিল, কিন্তু প্রায় ১৮টি হাটের ইজারা পাওয়া সত্ত্বেও ছয়টি হাটের ব্যবস্থা হয়নি। ফলে উপজেলা প্রশাসন খাস রাজস্ব আদায় করতে বাধ্য হয়েছে। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার মাধ্যমে সেই কাজ চালু হয়েছে, কিন্তু হাটগুলো স্থানীয় বিএনপি নেতাদের হাতে চলে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় গরু ব্যবসায়ীরা দাবি করেন যে বিএনপি নেতাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের কারণে হাট ইজারা নেওয়া হয়নি। তাঁরা দরপত্র প্রস্তাবে অংশ না নিয়ে সরকারি ব্যবস্থাপনার অধীনে খাজনা আদায়ের সুযোগ নিচ্ছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে যে জেলার বড় গরুর হাটগুলোর মধ্যে একটি সদরের গান্না গরু-ছাগলের হাট রয়েছে। সপ্তাহে বুধবার হাট বসে। তবে দরপ্রস্তাব না পাওয়ায় এ হাট এ বছর ইজারা দেওয়া হয়নি। এ কারণে স্থানীয় নেতাদের একটি চক্র খাজনা আদায় করছে।
হাট ইজারা নিয়ে কথা হয় জয়নাল আবেদীনের সঙ্গে। তিনি জানান, হাটটি চুয়াডাঙ্গার সরোজগঞ্জ এলাকার বিএনপি নেতা রুলু মিয়ার নামে নেওয়া হয়েছে। তবে রুলু মিয়ার নামে নেওয়া হলেও স্থানীয় প্রায় ৬০-৭০ জন নেতা-কর্মী খাজনার অংশ নিচ্ছেন।
বর্তমানে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নারকেলবাড়িয়া গরু-ছাগলের হাটের প্রতি সপ্তাহে খাস কালেকশন চালু আছে। সেখানে বিএনপির অন্তত ৭০ জন নেতা খাজনা আদায় করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে যে ইজারা দিতে কেউ অংশ নেওয়া হয়নি বলে তহসিলদার নিয়োগ দিয়ে খাজনা আদায় করা হচ্ছে।
শৈলকূপা ভাটই বাজার গরুর হাটটি নিয়ন্ত্রণ করছে একটি বিএনপি নেতার দ্বারা গঠিত সিন্ডিকেট। অন্যদিকে কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার হাট বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর দুই নেতার হাতে চলে গেছে। গাজীরহাট গরু-ছাগলের হাটে অন্তত ৬০ জন নেতা কর্মী বিএনপি ও জামায়াতের সম্পর্কে হাট নিয়ন্ত্রণ করছেন।
ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন বলেন, জেলায় ২৪টি পশুর হাট রয়েছে। ইজারা দিতে সক্ষম হয়নি বলে ছয়টি হাটে খাস রাজস্ব আদায় করা হচ্ছে। তিনিও জানান, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও কেউ দরপত্র প্রস্তাবে অংশ নেয়নি। তহসিলদার তাঁর লোকজন নিয়ে খাস আদায় করছেন বলে ঝিনাইদহ সদরের ইউএনও �
