ফটিকছড়িতে দুই দিনে কুকুরের কামড়ে আহত ১৯ জন
পাগলা কুকুরের হামলার প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে নাজিরহাটে
ফট কছড় ত দ ই দ ন – ফট কছড় ত দ ই দ ন – চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার দৌলতপুর এলাকায় গত দুই দিনে একটি পাগলা কুকুরের কামড়ে নারী এবং শিশুসহ ১৯ জন ব্যক্তি আহত হয়েছেন। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা গুন করে সামাজিক গুরুত্ব দিয়ে কুকুরটিকে বাড়ি থেকে বের করে দেন।
ফটিকছড়ি উপজেলার স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, হামলার ঘটনা সোমবার ও মঙ্গলবার (১ ও ২ জুন) ঘটে। এই সময়ে কুকুরের কামড়ে পাঁচজন বাড়ি থেকে হাসপাতালে আনা হয়, যাদের মধ্যে ছয় জন শিশু রয়েছে। বাকি ব্যক্তিদের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কমপ্লেক্সের স্থান নেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দা হাসানুল করিম জানান, এখনো কয়েকজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
“ফট কছড় ত দ ই দ এলাকায় বিস্তারিত ঘটনা ঘটেছে। কুকুরটি কিছুক্ষণ ধরে বাসিন্দাদের মুখোমুখি হামলা করে। তার পর আমরা অবাক হয়ে গেছি,” বলেন নাজিরহাট পৌরসভার স্থানীয় বাসিন্দা শামসুদ্দৌলা।
ফটিকছড়ি উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. কামরুল হাসান জানান, গত দুই দিনে সবাই দৌলতপুর এলাকার বাসিন্দা হিসেবে আহত হন। তাঁদের মধ্যে পরিচয় পাওয়া গেছে মমতাজ বেগম (৩৫), মো. রাশেদ (৪০), মো. সেলিম (৫২), মো. ওসমান (৪৫) ও রিমা আক্তার (২৪)। বিশেষ করে শিশুদের প্রতি কুকুরের হামলার সামনে লোকের ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
হামলা ঘটার পরিস্থিতি ও প্রতিক্রিয়া
ফট কছড় ত দ ই দ এলাকায় সন্ধ্যার সময় কুকুরটি হঠাৎ হামলা করে। প্রথম দিন শিশুসহ পাঁচজনকে কামড়ে জখম করে, পরদিন এই কুকুর আরও ১৪ জনকে আহত করে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষিপ্ত হয়ে কুকুরটিকে বাড়ি থেকে নিয়ে আসেন এবং তাকে মেরে ফেলেন। এই ঘটনা সম্পর্কে সামাজিক মাধ্যমগুলোতে চোখ রাখা হয়েছে।
বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের মধ্যে কিছু ব্যক্তি প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন, যাদের জন্য উন্নত চিকিৎসা স্থানান্তর করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিক্রিয়া দেখায় কুকুরের কামড় কার্যক্রম সম্পর্কে চিন্তা করেছেন। কুকুরটি সম্ভবত পুরানো পাগলা কুকুর হতে পারে।
ফটিকছড়ি উপজেলার বাসিন্দারা কুকুরের হামলার পরিণতি নিয়ে চিন্তা করছেন। প্রতিটি হামলার পর আহতদের জন্য উপযুক্ত পরিচর্যা করা হয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা অতিরিক্ত পরিদর্শন করছেন যাতে ভবিষ্যতে এরকম ঘটনা পুনরাবৃত্তি হয় না।
