ভোলায় মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন তোফায়েল আহমেদ
ভ ল য় ম য় র প – তোফায়েল আহমেদ একজন মুক্তিযুদ্ধ সংগঠক, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী ছিলেন। আজ মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে তাঁর জন্মস্থান ভোলা সদর উপজেলার কোড়ালিয়া গ্রামে তৃতীয় জানাজা শেষে তাঁকে বাড়িতে দাফন করা হয়েছে। কবরস্থানে তাঁর মায়ের পাশে তোফায়েল আহমেদকে শেষ সান্ধ্যে সমাহিত করা হয়।
গৃহপালনের প্রক্রিয়া
তোফায়েল আহমেদের মরদেহ ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন হেলিপ্যাডে পৌঁছেছিল। সেখান থেকে ফ্রিজিং ভ্যানে তাঁর শব ভোলা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তোফায়েল আহমেদ মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতার সম্মুখীন হন। তাঁকে গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদ্রোগ ও শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জীবনের শেষ আট মাসের বেশি সময় তিনি স্কয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) কাটান।
প্রাথমিক জানাজা
তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা ছাড়াও সহস্রকোষ মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন। দুই দিন পর তাঁর শব বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
তিনি ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর রাজনৈতিক কর্মজীবনে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি হিসেবে কাজ করেন ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত। সেই সময় গণ-অভ্যুত্থানে তিনি নেতৃত্ব দেন।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন যখন তাঁর বয়স ছিল ২৭ বছর। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন এবং নানা দফায় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সংসদের নির্বাচনে তিনি ৯ বার সফল হন।
