Bangladesh

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ–হত্যা: দরজা ভেঙে দেখি গোসলখানায় রক্তের ছাপ—বাবার জবানবন্দি

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: দরজা ভেঙে দেখি রক্তের ছাপ

পল লব ত শ শ ধর ষণ – পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রমাণ স্থাপনের জন্য শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন। তাঁর বর্ণনায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বাসার দরজা ভেঙে এক মহিলাকে গোসলখানায় রক্তের ছাপ দেখা যায়।

অভিযুক্ত আসামি হাজির হন

মঙ্গলবার অভিযুক্ত সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুন ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় হাজির হন। পরিচয় দেওয়ার সময় স্বপ্না চেয়ারে বসে থাকেন, সোহেল তার স্বামী হিসাবে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও হেলমেট পরিপন্থী ভাবে একপাশে দাঁড়িয়ে থাকেন।

“আমার মেয়ে দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে হত্যা করা হয়েছিল। খাটের নিচে দেহ রাখা হয়েছিল, অন্য পাশে বালতির ভেতর মাথা দেখি। এরপর আমি কিছু বলতে পারব না,”

বলেন বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।

শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার কথা ঘোষণা করতে হয় যখন বাবা তার বীর্য গুণগত পরিচয় দেন। তিনি জানান যে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুন গোসলখানায় কাজ করে। ঘটনার সময় রাজু নামের একজন সহযোগী হাতুড়ি নিয়ে দরজা ভেঙে ফেলে।

প্রমাণ প্রকাশ করা হয়

পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। মামলার প্রতিবেদনে গুরুতর ঘটনার প্রমাণ পেশ করা হয়। ডিএনএ পরীক্ষা, ফরেনসিক রিপোর্ট ও ময়নাতদন্ত প্রমাণ দেখায় যে শিশু পল্লবীতে ধর্ষণ প্রাপ্ত হয়ে হত্যা করা হয়েছিল।

অভিযোগপত্র প্রস্তুত হয় যখন সোহেল রানার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধারা উল্লেখ করা হয়। দুই আসামির বিরুদ্ধে পুনরায় অভিযোগ করা হয় এবং ঘটনার পরিচয় দেওয়া হয়। এ ঘটনায় পল্লবীতে স্থান নির্ধারণ করতে হয় যে কার বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া চালু হয়।

এ মামলার সত্যায়ন করতে হয় যে সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুন সংগঠিত হত্যার পরিচয় দেন। দরজা ভেঙে গোসলখানায় রক্তের ছাপ দেখার ঘটনার পর থেকে তারা সত্যিকথা বলেন। কারণ বাবা বলেন, এ ঘটনার কারণ হল শিশু ধর্ষণ ও হত্যার আসামি নির্ধারণ।

Leave a Comment