Bangladesh

টানা দাবদাহ: জ্বর-ডায়রিয়া রোগীর চাপ, সেবায় হিমশিম

টানা দাবদাহ: জ্বর-ডায়রিয়া রোগীর চাপ, সেবায় হিমশিম

ট ন দ বদ হ – রাজশাহীর দুর্গাপুরে প্রচণ্ড দাবদাহ ও ভ্যাপসা গরমে জ্বর, ডায়রিয়া ও পেটের পীড়াজনিত রোগে ভর্তি হয়েছে শতাধিক রোগী। চিকিৎসা প্রদানের জন্য হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের সেবা বেশি চাপে পড়েছে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য অনুযায়ী, ঈদের পর থেকে গত বুধবার সকাল পর্যন্ত জরুরি বিভাগে বেশি প্রাঙ্গনে রোগী আসছে। হাসপাতালে শয্যা না পেয়ে অনেকে বারান্দায় চিকিৎসা ব্যবস্থা করছে।

গত চার দিনে হাসপাতালে জরুরি বিভাগে আসা রোগীদের সংখ্যা মোট ৮০ জন। মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার সকাল ৮টার মধ্যে ১২-১৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও মধ্যবয়সী ব্যক্তি বেশি।

শালঘরিয়া গ্রামের নাসরিন আক্তার জানান, তিনি প্রচণ্ড পেট ব্যথার কারণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বারান্দায় চিকিৎসা নিচ্ছেন কারণ শয্যা না পেয়ে।

শানপুকুরিয়া গ্রামের আব্দুল খালেক বলেন, হঠাৎ ভীষণ জ্বর ছিল। ওষুধে কাজ হচ্ছিল না। তিন দিন আগে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি বলেন, এখন সুস্থ হয়ে রিলিজ দেয়া হয়েছে।

বুধবার বেলা ১১টায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে রোগীদের অবিশুদ্ধ সংখ্যা দেখা যায়। বহির্বিভাগে কেবল পাঁচজন চিকিৎসক সেবা প্রদান করছেন।

“ঈদের পর থেকে শরীরে ভীষণ জ্বর। পাঁচ দিন হয়ে গেল। তবুও নামছে না।”

বুধবার বেলা ১১টায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে গিয়ে দেখা যায় ভিড় সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে সিনিয়র নার্স নাসিমা বেগম বলেন, গরম ও আবহাওয়াজনিত কারণে রোগী চাপ বেড়ে গেছে।

“অতিরিক্ত মাংস খাওয়া ও প্রচণ্ড গরমে ছেলেটি হাঁসফাঁস করছিল। তারপর শুরু হয় বমি। এখন পাতলা পায়খানা। রাতেই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। চিকিৎসা চলছে।”

হাসপাতালে সোমবার রাতে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছে সাড়ে চার বছর বয়সী কামরুন্নাহার সুইটি। তার মা আমেনা বেগম বলেন, “অতিরিক্ত মাংস খাওয়া ও প্রচণ্ড গরমে ছেলেটি হাঁসফাঁস করছিল। তারপর শুরু হয় বমি। এখন পাতলা পায়খানা। রাতেই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। চিকিৎসা চলছে।”

হাসপাতালের আরএমও মেহেদী হাসান �

Leave a Comment