বিএসইসি নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ ঘোষণা
ব এসইস ত নত ন কম শন – বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে মাসুদ খান দায়িত্ব গ্রহণ করার পর আগামী চার বছরের জন্য বাজার সংস্কারের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। ঘোষণাটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে করা হয়েছে।
বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মাসুদ খান, যিনি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট এবং অভিজ্ঞ করপোরেট নির্বাহী। তিনি ক্রাউন সিমেন্ট পিএলসির গ্রুপ প্রধান নির্বাহী ও ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান ছিলেন। এ দিন নতুন কমিশনার তিনজনও নিয়োগ পেয়েছেন।
নতুন কমিশনের সদস্যদের মধ্যে রয়েছে ঢাকা ব্যাংক সিকিউরিটিজের ব্যবসায়ি পরিচালক নাফিজ আল তারিক, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নাহিদ মাহতাব এবং আশা ইন্টারন্যাশনালের অর্থ পরিচালক তানভীর হাবিব রহমান। তারা সম্মিলিতভাবে চার বছর ধরে কমিশন কার্যনিষ্পত্তি করবেন।
“অর্থনীতির আকার বৃদ্ধি পেলেও পুঁজিবাজার সেই গতিতে এগোতে পারেনি। বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি হয়েছে, ভালো কোম্পানির বাজারে আসার আগ্রহ কমেছে এবং বিদেশি বিনিয়োগও হ্রাস পেয়েছে। এ জন্য আস্থা পুনর্গঠন সর্বোচ্চ প্রাধান্য পাবে,” বলেন মাসুদ খান আগারগাঁওয়ে বিএসইসি ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে।
নতুন কমিশনের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের পুঁজিবাজারকে স্বচ্ছ, বিশ্বাসযোগ্য ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ নির্ভর উদীয়মান বাজারে পরিণত করা। এজন্য বিধিমালা, অনুমোদনের প্রক্রিয়া ও রিপোর্টিং কাঠামো পুনর্বিবেচনা করা হবে।
বিএসইসি নতুন কমিশন অর্থনৈতিক সংস্কারের পাঁচটি মূল উদ্দেশ্য জানিয়েছে—বাজার আস্থা পুনর্গঠন, নিয়ন্ত্রণ কমানো, ডিজিটাইজেশন গুরুত্ব দেওয়া, উন্নয়নশীল কোম্পানির তালিকাভুক্তি বৃদ্ধি করা এবং কারসাজি বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা।
ফ্লোর প্রাইস আরোপ করা হবে না বলে ঘোষণা করা হয়েছে। বর্তমান ফ্লোর প্রাইস সামগ্রিক বাজারের অবস্থার উপর ভিত্তি করে ধ্বংস করা হবে। বাজারের মূল্য নির্ধারণ করবে স্বাধীন ভাবে—কারসাজি দ্বারা নয়।
আরও অগ্রগতি করতে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ন্ত্রক কার্যক্রম অনুসন্ধান করা হবে। আইপিও আবেদন, রাইটস শেয়ার, বন্ড ও সুকুক ইস্যু সহ নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে পুরোপুরি ডিজিটাল পরিবর্তন করা হবে।
