হালদা থেকে অবৈধভাবে বালু তুলে তীর রক্ষা বাঁধ
হ লদ থ ক অব ধভ ব – চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) হালদা নদীর তীর সংরক্ষণ প্রকল্প চালাচ্ছে। প্রকল্পটি হালদা নদীর ভাঙনরোধের জন্য পরিচালিত হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে এই কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে হালদা থেকে অবৈধ ভাবে উত্তোলিত বালু। ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, যিনি বালু তোলার জন্য ড্রেজার ব্যবহার করছেন।
আদালতের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে হালদা নদীতে বালুমহাল ইজারা দেওয়া হয়েছে। বালু এবং মাটি তোলা ও চর কাটা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে সুন্দরপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে নদী থেকে অব্যাহত ভাবে বালু তোলা হচ্ছে। এতে নদীর জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রকাশ করেছে।
গতকাল রোববার সকালে হাড়িঘাটা এলাকায় দেখা গেছে, নদীতীর সংরক্ষণ ও বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ পুরোদমে চলছে। এ প্রকল্পের জন্য বালু তোলা হচ্ছে হালদা নদীতে ড্রেজার বসিয়ে। পরে সেই বালু পাইপলাইনের মাধ্যমে নদী তীরে সরাসরি ফেলা হচ্ছে।
সাবেক ইউপি সদস্যের সম্প্রতি প্রকল্পে অংশগ্রহণ
বালু উত্তোলনের কথা স্বীকার করে সুন্দরপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য শামশুল আলম বলেন, বালু তোলার জায়গাটি আমার নিজের জায়গা। এখান থেকে বালু তোলার জন্য কার কাছ থেকে অনুমতি নেব বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিষয়টি খুঁজে বার করে সাংবাদিককে উল্টো প্রশ্ন করেন তিনি, ‘এত বছর কোথায় ছিলেন?’
‘বালু তোলার জায়গাটি আমার নিজের জায়গা। এখান থেকে বালু তোলার জন্য কার কাছ থেকে অনুমতি নেব?’
পাউবো সূত্রে জানা গেছে, হালদা নদীর তীর সংরক্ষণ প্রকল্পটি প্রায় ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে পরিচালিত হচ্ছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রিলায়েন্স করপোরেশন ও আমিন অ্যান্ড কোম্পানির সাথে কাজ চালাচ্ছে পাউবো। প্রকল্পের আওতায় বেড়িবাঁধ নির্মাণ, সিসি ব্লক স্থাপন ও জিও ব্যাগ ফেলার কাজ করা হবে।
মেসার্স রিলায়েন্স করপোরেশনের স্বত্বাধিকারী গিয়াস উদ্দিন বলেন, কাজটি দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় কাজ শুরু করি। আমরা সিনা মেম্বারের কাছ থেকে বালু কিনে নিচ্ছি। তিনি কোথা থেকে বা�
