গোপালগঞ্জে নিখোঁজ তরুণের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে
গ প লগঞ জ ন খ জ – গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চরমানিকদাহ এলাকার একটি পুকুর থেকে আজ শনিবার (১৩ জুন) বেলা ১১টার দিকে পুলিশ তিন দিন পর নিখোঁজ তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে। নিখোঁজ তরুণ শাহিন শেখ (১৮ বছর) হলেন পার্শ্ববর্তী ঘোষেরচর পশ্চিমপাড়া গ্রামে রবিউল শেখের ছেলে। তিন দিন আগে শাহিন নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পর তাঁর পরিবার ও এলাকার মানুষদের প্রচেষ্টার পর তাকে খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয়। এই ঘটনায় স্থানীয় সংবাদ সম্পাদনা ও পরিচয় সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়েছে।
তিন দিনের খোঁজাখুঁজির পর মরদেহ উদ্ধার
গোপালগঞ্জে নিখোঁজ তরুণের মরদেহ উদ্ধার ঘটনায় স্থানীয় কাছাকাছি বাসিন্তে মানুষ দ্বিতীয় দিনে কেউ কেউ পুকুরে গিয়ে নিহতের মরদেহ চিহ্নিত করেছিলেন। পুলিশ তিন দিন আগে শাহিন নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পর তাঁর পরিবারের সদস্যদের স্থানীয় জনগণের সাথে একটি সার্বিক খোঁজাখুঁজি চালানো হয়। কিন্তু তিন দিন পর তাকে খুঁজে পাওয়ার সময় তাঁর গোপালগঞ্জে নিখোঁজের ঘটনার আনুমানিক কারণ খুঁজতে পুলিশ এলাকার সামনে খুঁজে বার করেছিল। মৃণাল বিশ্বাসের বাড়ির পাশে পুকুরে নিহত তরুণের মরদেহ দেখে এলাকাবাসী পুলিশকে সংবাদ দেয়। তখন পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ মর্গে পাঠিয়েছিলেন।
গোপালগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম জানান, “তিন দিন আগে শাহিন নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পর আমাদের সদস্যদের এলাকার সাথে সামনে খোঁজাখুঁজি চালিয়েছিল। স্থানীয় কাছাকাছি বাসিন্তে গোপালগঞ্জে নিখোঁজের ঘটনার প্রতিক্রিয়া খুঁজতে তাঁদের গোপালগঞ্জে প্রতিদিন বেশ কয়েকজন মানুষ পুকুর থেকে কোনো সংকেত খুঁজেছিল। এবং মরদেহ উদ্ধার ঘটনার পর সম্পূর্ণ তদন্ত চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।”
গোপালগঞ্জে নিখোঁজের ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। তাদের অনুমান হয়েছিল যে শাহিন নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার কারণ সংক্রান্ত এলাকায় ঘটেছে। কিন্তু তিন দিন পর মরদেহ উদ্ধারের পর সবাই তার প্রকৃত অবস্থার কথা নিশ্চিত করেছে। গোপালগঞ্জে নিখোঁজের ঘটনায় পরিবারের আর এলাকার মানুষ মুখে মুখে খবর শুনতে চাইছে। তিন দিন আগে তাঁর সাথে কোনো সংঘর্ষ বা দুর্ঘটনা ঘটেছে কিনা তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ক্রমাগত পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে।
গোপালগঞ্জে নিখোঁজ ঘটনার প্রতিক্রিয়া খুব গুরুতর। তরুণের মরদেহ উদ্ধার ঘটনার পর স্থানীয় কোনো বিশেষ সংখ্যক মানুষ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। পুলিশ তিন দিন পর মরদেহ খুঁজে পাওয়ার পর গোপালগঞ্জে নিখোঁজের ঘটনার প্রতি একটি প্রতিক্রিয়া চালু করেছে। তার পরিবারের লোকজন তার অস্তিত্ব নিশ্চিত করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো নিশ্চিত তথ্য ছিল না। তার মৃত্যু পর্যন্ত আগ্রহ এলাকার মানুষ আগ্রহ প্রকাশ করছে।
গোপ
