খুলশী থানার ওসি প্রত্যাহার করা হয়েছে হেনস্তার ঘটনার পর
ক র ক ট র ন ঈম – চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী কমিশনারের আদেশে খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. আরিফুর রহমান দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ নিশ্চিত করেন সিএমপির মুখপাত্র ও সহকারী পুলিশ কমিশনার আমিনুর রশিদ শনিবার রাতে পরিচয় প্রকাশ করেন। তিনি জানান, বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমানকে খুলশী থানার নতুন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
অনুসন্ধানে ক্রিকেটার নাঈম হাসানের অভিযোগ অনুযায়ী শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি সাভারের বিকেএসপিতে প্রাইম ব্যাংকের ম্যাচ খেলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে উদ্দেশ্যে রাত ১০টা ২০ মিনিটের ফ্লাইটে প্রস্থান করেন। চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাসায় ফেরার পথে লালখান বাজার এলাকায় পুলিশের গাড়ি তাঁর অটোরিকশার গতি বাধা দেয়। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর শনিবার দুপুরে ওসি শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া ও কনস্টেবল রাসেল চৌধুরী সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার প্রক্রিয়াও চলছে।
নাঈম হাসান জানান, গাড়ি থামানোর পর কয়েকজন পুলিশ সদস্য চালকের কাছ থেকে কাগজপত্র নিয়ে তাঁকে গাড়ি থেকে নামতে বলেন। তাঁকে ধাক্কা দিয়ে পুলিশের গাড়িতে তোলার চেষ্টা করা হয়। তখন তিনি নিজেকে জাতীয় দলের ক্রিকেটার হিসেবে পরিচয় দেন এবং পরিচয়পত্রও দেখান। কিন্তু এরপরও ওসি শফিকুল ইসলাম তাঁকে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। অভিযোগ করেন নাঈম, পুলিশের এক সোর্স পরিচয়ধারী ব্যক্তিও তাঁকে পাইপ দিয়ে মারধর করেন।
ঘটনার স্থানে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হয়ে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করলেও মারধর বন্ধ হয়নি; বরং তাকে আসামি বলে চুপ থাকতে বলা হয়। তাঁর দাবি, এ অভিযানের বিষয়ে তাঁকে আগাম কিছু জানানো হয়নি। পরে তাঁকে খুলশী থানায় নেওয়া হয় এবং ওসির কক্ষে হেনস্তার শিকার হতে হয়।
খুলশী থানার তৎকালীন ওসি মো. আরিফুর রহমান শনিবার সকাল
