Bangladesh

হবিগঞ্জে বন্যার পানি কমছে, ঘরে ফিরেও ঘরহারা মানুষ

হবিগঞ্জে বন্যার পানি কমছে, ঘরে ফিরেও ঘরহারা মানুষ

হব গঞ জ বন য র প – হবিগঞ্জ সদর উপজেলার অঞ্চলে বন্যার পানি আগের তুলনায় কমে আসছে। আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করছিল মানুষ এখন নিজ গ্রামে ফিরছেন। কিন্তু এই প্রতিক্রমণের মধ্যেও তাদের বাসাবাসা শেষ হয়নি।

গত বৃহস্পতিবার রাতে টানা বৃষ্টি এবং উজানের ঢলের কারণে খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে যায়। ফলে লস্করপুর, লামাতাসি এবং পইল ইউনিয়নের কমপক্ষে ৩৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়। সেই পরিস্থিতিতে কমপক্ষে ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েন।

বন্যার পানি আস্তব হয়ে আসার সাথে সাথে রাস্তা, ফসলি জমি ও মাছের ঘের থেকে পানি বের হচ্ছে। কিন্তু কাদা জমে থাকায় অনেক বাড়িতে পানি এখনো থাকছে। এই কারণে বাসাবাসের সুবিধা পুনরায় স্থাপন করতে বেশ কয়েকদিন সময় লেগে যাবে।

রানু বেগমের বাড়ি ধসে পড়েছিল

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার হাতিরথান গ্রামে বাসিন্দা রানু বেগম বন্যার পানি ছাড়ায় শেষ সম্বল হারিয়েছিলেন। গত শুক্রবার রাতে তীব্র স্রোতে তার একমাত্র ছোট্ট কুঁড়েঘর ধসে পড়ে। এখন তিনি পাশের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।

আমার ছেলেটা তিন বছর যাবত অসুস্থ। সে বিছানায় পড়ে আছে। আমার মা ও বৃদ্ধ। মেয়েটা স্কুল ছেড়ে কোম্পানিতে যে সামান্য রোজগার করে তাই দিয়ে সংসার চলে। এই ঘরটাই ছিল আমার শেষ সম্বল। বন্যার পানিতে সম্পূর্ণ ঘর ধসে পড়েছে। সরকার যদি আমাকে সহযোগিতা করত তা হলে কোন রকম চলতে পারতাম।

রানু বেগমের পরিবারে অসুস্থ বৃদ্ধ মা ও কিশোরী মেয়ে রয়েছেন। বাপের জন্য তার কাছে কোন সম্পদ ছিল না। এখন কিশোরী মেয়ে একটি কোম্পানিতে কাজ করেন।

সেলিনা বেগম বাড়ি ফিরে আশা করছেন না

কালীগঞ্জ এলাকার সেলিনা বেগমের শেষ আশ্রয়স্থল ধসে পড়েছে। স্বামীহারা এই নারী চারটি কন্যাসন্তান নিয়ে নতুন জীবন শুরু করতে পারছেন না।

বন্যার পানিত

Leave a Comment