বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে চূড়ান্ত দলের পদক্ষেপ নিয়ে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হয়েছে ইংল্যান্ড
স ম ফ ইন ল র আগ – আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছানোর পর তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে ইংল্যান্ড পরিচিতি পেয়েছে। দুই দেশের সামান্য ছোট প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে শুরু করে উদ্যাপনে যেন সেই বিস্ময়ের আবহ ঘিরে উঠেছে। আর্জেন্টিনা কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে পরাজিত করে চূড়ান্ত চার পদক্ষেপ নেয়। নির্ধারিত সময়ে ১-১ সমতা ঘটে যাওয়ার পর অতিরিক্ত সময়ে দুটি গোল করে আর্জেন্টিনা শেষ জয় নিশ্চিত করে।
ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর তাঁদের সঙ্গে খেলোয়াড়রা উদ্যাপনে মেতে ওঠেন। তাঁদের মুখে শোনা যায়, “যে লাফাবে না, সে ইংলিশ।” বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে অংশগ্রহণের জন্য ইংল্যান্ড নরওয়েকে ২-১ গোলে পরাজিত হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ে ১-১ সমতার কারণে প্রতিয়োগিতা অতিরিক্ত সময়ে সীমান্ত পর্যন্ত চলে যায়।
১৫ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় আটলান্টায় আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের দুই দলের মধ্যে সেমিফাইনালে লড়াই হবে। সেমিফাইনালের মুখোমুখি হওয়ার পর র্যাঙ্কিংয়ের তৃতীয় ও চতুর্থ নম্বর দলের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে। বিজয়ী দল ফাইনালে খেলবে ফ্রান্স ও স্পেনের মধ্যে প্রথম সেমিফাইনালে জয় করা দলের বিপক্ষে।
ধারাবাহিক সম্পর্কের ইতিহাস
ফুটবলের বাইরেও আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যে বিশেষ আবেগ আছে। দুই দেশের মানুষের কাছে এই ম্যাচ আলাদা গুরুত্ব পেয়েছে যেহেতু সে ঘটেছিল আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যে ১৯৮২ সালে ফকল্যান্ড যুদ্ধের পর থেকে।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে দুই দলের মধ্যে কিছু মুখ্য মুখোমুখি ঘটনা ঘটেছে। নির্ধারিত সময়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে দিয়েগো ম্যারাডোনার হ্যান্ড অব গড গোল ও তাঁর অসাধারণ নৈপুণ্যের স্মৃতি ফুটবলপ্রেমীদের মনে অমলিন। এরপর ১৯৯৮ সালে শেষ ষোলোতে দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল। টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনা জয় করে আসে।
সর্বশেষ দুই দলের দেখা হয়েছিল ২০১১ সালের নভেম্বরে একটি প্রীতি ম্যাচে। ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে হওয়া সে ম্যাচে আলবিসেলেস্তেদের প্রতি ১-০ গোলে জয় করেছে স্বাগতিক দল।
