টেলিটক বিক্রির পরিকল্পনা নেই, আপগ্রেডের উদ্যোগ: সংসদে আইসিটিমন্ত্রী
ট ল টক ব ক র র – সারা দেশে মোবাইল সেবা পরিচালনা করছে টেলিটক, গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংক এই চারটি অপারেটর। টেলিটককে প্রতিযোগিতার মধ্যে রাখতে সরকার তাকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বাজারে রাখার প্রয়োজনীয়তা জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি বলেন, টেলিটককে উন্নত করতে আরও টাওয়ার স্থাপন করা প্রয়োজন। এজন্য সরকার অর্থায়ন প্রদান করছে এবং বিদেশি উৎস থেকেও সম্ভবত সহায়তা আনা হবে।
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানজিদা ইয়াসমিন প্রশ্ন করেন যে সরকার টেলিটক বিক্রি করছে কি না। জবাবে মন্ত্রী জানান, সরকারে তার কোনো পরিকল্পনা নেই। তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানটি বাজারে থাকলে অপারেটরদের প্রতিযোগিতা বজায় রাখা সম্ভব।
“টেলিটককে আমাদের বাজারে রাখতেই হবে। সরকারের কাছে রাখতেই হবে।”
ইন্টারনেট প্যাকেজ এবং নেটওয়ার্ক দুর্বলতা
সাত বা ১৫ দিনের ইন্টারনেট প্যাকেজের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অব্যবহৃত ডেটা বাতিল হওয়ার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন ও মোবাইল অপারেটরদের সাথে এ নিয়ে আলোচনা চলছে।
যশোর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুক্তার আলী প্রশ্ন করেন যে বিদেশি উৎস থেকে টেলিটকের সম্প্রসারণে অর্থ আসছে কি। মন্ত্রী জানান, এ নিয়ে সরকার বিশেষ করে কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসান বলেন যে জকিগঞ্জ ও কানাইঘাটের সীমান্তবর্তী এলাকায় নেটওয়ার্ক দুর্বল। সেখানে কিছু ব্যবহারকারী প্রতিবেশী দেশের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেন। মন্ত্রী জানান, সংশ্লিষ্ট এলাকার সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে অপারেটরদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় টাওয়ার স্থাপনে চেষ্টা করা হবে।
ডাকঘর সংস্কার ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ
লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, তার এলাকায় অনেক ডাকঘর মাটির সাথে মিশে গেছে। কয়েকটি ডাকঘর বখাটে ও মাদকসেবীদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছে। সেগুলো সংস্কার করা সম্ভব না হলে বিলুপ্ত করার দাবি জানান তিনি।
জবাবে মন্ত্রী বলেন, সারা দেশে নয় হাজারের বেশি ডাকঘর রয়েছে। অধিকাংশ জরাজীর্ণ, তাই একসঙ্গে সংস্কারের চেষ্টা চলছে।
টেলিটক ও ৫ জি সম্প্রসারণ
পটুয়াখা�
