ফেকাল স্লাজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট কাজ করছে না যন্ত্রপাতি অভাবে
যন ত রপ ত র অভ ব – নীলফামারী পৌরসভার স্থাপন করা হয়েছে ফেকাল স্লাজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, যা পরিবেশদূষণ কমানোর উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা হয়েছিল। কিন্তু এখনও প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে না যন্ত্রপাতি অভাবে। পৌরসভা সূত্র জানিয়েছে, পরিকল্পিত স্যানিটেশন ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে ২০২৩ সালে প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে ২ দশমিক ৮৯ একর জমির ওপর প্ল্যান্টটি নির্মিত হয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল শহরের বাসাবাড়ি, প্রতিষ্ঠান ও সেপটিক ট্যাংক থেকে বিশেষায়িত ভ্যাকুয়াম ট্যাংকারের মাধ্যমে মানববর্জ্য সংগ্রহ করে পরিবেশসম্মত উপায়ে শোধন ও প্রক্রিয়াজাতের পর জৈব সার উৎপাদন করা।
এর মাধ্যমে উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য ফেলা বন্ধ হওয়া ও পরিবেশদূষণ ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্য ছিল। কিন্তু প্রকল্পটি নির্মাণের পর বিভিন্ন স্থান থেকে বর্জ্য এনে নির্ধারিত স্থানে জমা করা হচ্ছে। প্রায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এটি আড়াই বছর পরেও উৎপাদনে যেতে পারেনি।
“বর্জ্য এনে ফেলা হয়েছে, কিন্তু তা শোধন করা হচ্ছে না। দিনের পর দিন বর্জ্য জমে থেকে এটি একধরনের ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। দুর্গন্ধও ছড়াচ্ছে, হচ্ছে পরিবেশদূষণ,” বলেন নীলফামারী পৌরসভার কলেজপাড়ার সাব্বির হোসেন।
পৌরসভার সবুজ পাড়ার বাসিন্দা কাওসার আলী বলেন, “বর্জ্য থেকে জৈব সার তৈরির কথা শুনেছিলাম। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো সার উৎপাদিত হয়নি; বরং দুর্গন্ধে আশপাশের মানুষ ভোগান্তিতে রয়েছে।” তিনি বলেন, আধুনিক যন্ত্রপাতি ছাড়া হাতে হাতে প্লাস্টিক আলাদা করা অত্যন্ত কঠিন। মিশ্র বর্জ্যের মধ্যে বিপুল পলিথিন ও অপচনশীল উপাদান থাকায় প্রক্রিয়া কার্যত স্থবির হয়ে আছে।
পৌরসভার কনজারভেন্সি কর্মকর্তা আব্বাস আলী বলেন, “প্লাস্টিক আলাদা করার জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি প্রয়োজন। শুরুতে কয়েকজন নারী শ্রমিক হাত দিয়ে প্লাস্টিক পৃ
