Lifestyle

বাড়িতেই তৈরি করুন ইরাকের গেইমার ও দাহীন

ইরাকি রান্নার ঐতিহাসিক গুরুত্ব

ব ড় ত ই ত র কর – ইরাকের রন্ধনশালার ঐতিহাসিক গুরুত্ব অসামান্য। এর প্রতিটি খাবার নির্মাণে লুকিয়ে আছে শত শত বছরের প্রাচীন পরিচয়। সকালের নাশতায় ইরাকিদের মুখস্থ হয়ে থাকে মাখনে ভরপূর গেইমার বা কায়মাক এবং শীতের সন্ধ্যায় কামড়ে কামড়ে রুচিকর আঠালো দাহীন। এ দুই খাবার মধ্যপ্রাচ্যের রন্ধনসংস্কৃতির আভিজাত্যের সূচনা করে।

উৎসব সময়ে গেইমার পরিবেশন

ইরাকের প্রসিদ্ধ নাশতা গরম কাহির ওপর ঠান্ডা গেইমার সাথে মধু বা খেজুরের গুড়ের সিরা হিসেবে পরিচিত। কাহির মাখনে ভরপূর বহু স্তরবিশিষ্ট পেস্ট্রি পদ্ধতি হলো এক ধরনের সমৃদ্ধ রুচি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তার উপর হিমশীতল ক্রিমি গেইমার এবং মিষ্টি ঢেলে দিলে এটি স্বর্গীয় অনুভূতি জাগিয়ে তোলে।

গেইমার তৈরি করতে ইরাকিরা মহিষের দুধ ব্যবহার করে। ঐতিহ্যগতভাবে এই দুধ দিয়ে সাধারণত দক্ষিণাঞ্চলে তৈরি হয়। মহিষের দুধে চর্বির পরিমাণ ছয় শতাংশের বেশি হতে পারে। এটি ইরাকে কায়মাক বা কাজমাক হিসেবে পরিচিত, যা তুরস্ক এবং বলকান অঞ্চলেও আপেক্ষিক স্থান অধিকার করে।

দাহীনের ঐতিহাসিক আবির্ভাব

দাহীন ইরাকে ঘন এবং ক্যালরিযুক্ত মিষ্টি পদ্ধতি হিসেবে পরিচিত। এটি নাজাফ শহরের ঐতিহ্যবাহী খাবার। নাজাফের বাজারে সেরা দাহীন পাওয়া যায় বলে একে অনেকে হালাওয়া নাজাফিয়া নামে ডাকে। কিছু ব্যক্তি এই মিষ্টি বন্ধু ও পরিবারের জন্য অপরিহার্য বিবেচনা করে।

তবে তুরস্কে এটি খাওয়া হয় সাধারণ রুটি ও মধুর সঙ্গে। ইরাকের মসুল শহরের মানুষ অনেক সময় ইরাকি রুটি দিয়ে খায়।

প্রস্তুতির পদ্ধতি

দাহীন তৈরি করতে প্রয়োজন হয় নারকেল কোরা এবং আখরোটের টুকরো। কাহির তৈরির সময় বুদ্‌বুদ উঠলে আঁচ কমিয়ে দিতে হয়। বিশেষ ভাবে একটি ছড়ানো প্যানে দুধ ও ক্রিম মিশিয়ে মাঝারি আঁচে ১০ মিনিট বসিয়ে রাখুন। এরপর মিক্সচার দিয়ে ময়দা ও এলাচিগুঁড়া মিশিয়ে ব্যাটার তৈরি করুন।

একটি বেকিং প্যানে গ্রিজ বা তেল মাখিয়ে নারকেল কোরা সমানভাবে ছড়িয়ে দিন। ব্যাটারটি প্যানে ঢালুন এবং বাকি অর্ধেক নারকেল কোরা দিয়ে ঢেকে দিন। ওভেনের মাঝখানে এটি রেখে ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট বেক করুন।

গেইমার ও দাহীনের প্রাচীন সংস্কৃতি

ইরাকের ঐতিহ্যগত মিষ্টি তৈরির জন্য গরু বা মহিষের খাঁটি ঘি ব্যবহার করা হতো। এটি ইতিহাসে আরবি শব্দ দিহন থেকে প্রাপ্ত হয়েছে। ঐতিহাসিক রেসিপির সন্ধান পাওয়া যায় অষ্টম শতকের রান্নার বইয়ে। এখন এটি ইরাকি রন্ধনশ

Leave a Comment