Bangladesh

নিরীক্ষা প্রতিবেদন: ৭ শিক্ষক নিয়োগে জালিয়াতি

নিরীক্ষা প্রতিবেদন: উপজেলার অষ্টমনীষা উচ্চবিদ্যালয়ে নিয়োগ অনিয়ম উঠেছে

ন র ক ষ প রত ব – পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার অষ্টমনীষা উচ্চবিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক সহ সাতজন শিক্ষকের নিয়োগ জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। প্রতিবেদনে গৃহীত বেতন-ভাতা গ্রহণের বিষয়ে সরকারি কোষাগারে ফেরতের সুপারিশ করা হয়েছে।

২০২০ সালের ১২ মার্চ উপজেলার অষ্টমনীষা উচ্চবিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী শিক্ষা পরিদর্শক রাকিবুল হাসান। তিনি ২০২৫ সালের ৩১ আগস্টে নিরীক্ষা প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্কুলটিতে কর্মরত রয়েছেন ১৪ জন শিক্ষক। তাদের মধ্যে ১৩ জন এমপিও প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

সহকারী শিক্ষক মো. আয়নুল হক ২০১৮ সালের ২৫ জানুয়ারি যোগদান করেন। আগে তিনি চাটমোহর উপজেলার চিনাভাতকুর ওয়ারেছিয়া দাখিল মাদ্রাসায় কর্মরত ছিলেন। তাঁর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আগের প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র দাখিল করেননি।

সহকারী শিক্ষক স্বপ্না রানী পাল ২০০১ সালের ১ জানুয়ারি যোগদান করেন। তাঁর নিয়োগে আকাঙ্ক্ষিত শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ছিল না। এ ছাড়া সহকারী শিক্ষক রোখসানা খাতুন ২০০১ সালের ১ জানুয়ারি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কৃষি ডিপ্লোমা সনদ ছিল না। তাঁর আবেদন বাতিলযোগ্য ছিল।

সহকারী শিক্ষক মো. রেজাউল করিম ২০১০ সালের ১০ জুন যোগদান করেন। তিনি সমাজবিজ্ঞান বিভাগে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আগের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ছিল না। মুহাম্মদ আলী সহকারী শিক্ষক নিয়োগে আগে কোনো প্রতিষ্ঠানে প্রমাণ দেখাতে পারেননি। নিরীক্ষা প্রতিবেদনে এ সাতজন শিক্ষকের বেতন-ভাতা বাবদ গ্রহণের মূল্য ১ কোটি ১৭ লাখ ৫ হাজার ৯১৭ টাকা ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রধান শিক্ষক মো. আনছার আলী বলেন, ‘নিরীক্ষা অধিদপ্তর যে প্রতিবেদন তৈরি করেছে, সেটা সঠিক নয় বলে মনে করি।’ তবে তৎকালীন নিয়োগ বোর্ডের সদস্যদের জবাবদিহি করতে হবে বলে তিনি দাবি জানান।

Leave a Comment