ইরানের দেখানো কৌশলেই হরমুজ থেকে গোপনে তেল নিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
ইর ন র দ খ ন ক – ইরানের দেখানো কৌশলে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ স্ট্রাইট বন্ধ হওয়ার পর তাদের জ্বালানি সরবরাহ বজায় রাখার চেষ্টা করছে। এই অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে আকাশ ও জলপথের ড্রোন, এমনকি হেলিকপ্টারও। অনেক জাহাজে তেল স্থানান্তরের মাধ্যমে জাহাজগুলো হরমুজ স্ট্রাইট বাইরে অপেক্ষমাণ ট্যাংকারগুলোর দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই কার্যক্রমে অনেক দিন ধরে নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যেতে ইরান ব্যবহার করে আসছে একটি সংকীর্ণ এবং প্রতিক্রিয়াশীল পদ্ধতি। তেলের বৈধ পরিবহন বিপন্ন হওয়ার পর এই কৌশলে যুক্তরাষ্ট্র নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি করছে এবং আরও বেশি গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্য তাদের প্রচেষ্টা প্রায় অবাধ হয়ে উঠছে।
হরমুজ স্ট্রাইট বন্ধ হওয়ার পর তেল সরবরাহে বিপর্যয়
হরমুজ স্ট্রাইট বিশ্বের প্রধান তেল পরিবহন পথ। এই প্রণালি বন্ধ হওয়ার পর তেল বিপন্ন দেশগুলো তাদের সরবরাহ প্রতিক্রিয়াশীল করে তোলে। যুক্তরাষ্ট্র তাদের অর্থনীতি এবং শক্তি সুরক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে সময় কাটিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। এই গোপন প্রণালি ব্যবহার করে তারা ইরানের প্রভাব অস্বীকৃত করে তোলার জন্য জাহাজগুলো সম্পূর্ণ ভাবে পরিবর্তন করে দিচ্ছে। অর্থনীতি ও রাজনীতি ক্ষেত্রে এই কৌশল প্রচুর বিপর্যয় সৃষ্টি করছে যেখানে তেল বিপন্ন হওয়ার পর ইরান যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি সংঘর্ষে ভূমিকা পালন করছে।
হরমুজ স্ট্রাইট কে বন্ধ করে দেয়ার পর ইরান তাদের তেল সরবরাহ বজায় রাখার জন্য ফুজেইরাহ ও সোহার বন্দর ব্যবহার করছে। এই স্থানগুলো হলো স্ট্রাইট বন্ধ হওয়ার পর তেল সরবরাহের বিকল্প পথ। গত মে মাসে রয়টার্স এর পর্যালোচনা অনুযায়ী এই অপারেশনে অংশ নিয়েছিল অন্তত ৯২টি জাহাজ। গত ১১ জুন পর্যন্ত দুটি স্থানে প্রতিদিন একই সময়ে ১৭ জোড়া জাহাজে তেল স্থানান্তর হচ্ছে। এই অপারেশনটি ইরানের দেখানো কৌশলে সম্পন্ন হচ্ছে, যেখানে তেল বিপন্ন হওয়ার পর তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়ছে।
গত ৯ জুন ইরানের গুলিতে ভূপাতিত হওয়া একটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার এবং পরে যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা বোমা হামলা চালায়। এ হামলাও ইরানের দেখানো কৌশলের অংশ ছিল বলে চারটি সূত্র জানিয়েছে। সেটিও দুই ক্রু সদস্যকে ড্রোন নৌযান উদ্ধার করতে মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষায় বলা হয়েছে ইরান কার্যত প্রণালি বন্ধ করে দেয়।
