সরকারের গণমাধ্যম সম্পাদকদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি
স ব দ কদ র প শ – তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানান যে, সরকার গণমাধ্যম সম্পাদকদের পেশাগত স্বাধীনতা, মর্যাদা এবং আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি সম্মিলিত দায়িত্ব পালন করতে চায়। এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আজ মঙ্গলবার সকালে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রকাশ করা হয়।
যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রীর বক্তব্য
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) যৌথ উদ্যোগে সভা আয়োজন করা হয়। মন্ত্রী বলেন, ‘গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিশ্রুতি ইতিমধ্যে কাজে লাগানো হয়েছে। মালিক যদি স্বাধীনতা না দেয়, বেতন না দেয় বা মর্যাদাপূর্ণ পেশাগত পরিবেশ রাখতে না পারে, তাহলে সেই চ্যালেঞ্জ কে মোকাবিলা করবে কে?’ তিনি বোঝান যে, রাষ্ট্রকে অবশ্যই পরিমাণ দায়িত্বশীল ক্ষমতা থাকতে হবে।
‘সরকার যতই গণতান্ত্রিক অথবা আপনাদের স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করুক, মালিক যদি স্বাধীনতা না দেয়, বেতন না দেয় বা মর্যাদাপূর্ণ পেশাগত পরিবেশ রাখতে না পারে, তাহলে সেই চ্যালেঞ্জ কে মোকাবিলা করবে কে?’
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সাংবাদিকের পেশাগত স্বাধীনতা ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। সকল গণমাধ্যমকে একটি সমাধানের পয়েন্টে নিয়ে আসার জন্য আগামী ১৮ জুনে আমরা একটি ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যানের খসড়া প্রণয়ন করব। আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী প্রথম থেকেই এ বিষয়ে অত্যন্ত দৃঢ়চিত্ত এবং তিনি প্রতিনিয়তই তদারকী করছেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সহ দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এ বিষয়ে অনেক বেশি সংবেদনশীল।
নীতি নির্ধারণী ফোরামের প্রয়োজনীয়তা
তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের লোক হিসেবে, নীতিনির্ধারক হিসেবে, কর্মী হিসেবে এবং সাংবাদিক হিসেবে আপনারা নিশ্চয়ই চিন্তা করবেন এবং সমাধান বের করবেন। সবটাই মাথায় রাখতে হবে। এ বিষয়ে তাঁর দাবি, যেকোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান তার সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগকৃত ব্যক্তিদের নিরাপত্তা মর্যাদা দেয় কি দেয় না—এটা দেখার দায়িত্ব অবশ্যই সরকারের।
