Bangladesh

‘আমার সন্তানেরা অসুস্থ হয়ে গেছে, আমরা বাঁচতে চাই’

সীমান্ত সংক্রান্ত ঘটনা

আম র সন ত ন র অস – গয়টাপাড়া সীমান্ত পরিস্থিতির মধ্যে আটকে আছে দুই শিশুসহ ছয়জন। বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং স্থানীয় গ্রামবাসীদের বাধা দিয়ে তাদের প্রবেশ ঘটানো যাচ্ছে না। উপজেলার কাঁটাতারের প্রান্তে এই গ্রুপ অবস্থান করছে, যেখানে শূন্যরেখার দুই পার থেকে বিএসএফ ও বিজিবি একে অপরের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আছে।

অসহায় পরিবারের কথা

নারী-শিশু সহ দুই শিশু অসুস্থ হয়ে পড়েছে, চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে। ভোজন করতে পারছে না তাদের। বাঁচতে চাই বলে তারা আকুতি জানাচ্ছে।

‘আমার সন্তানেরা অসুস্থ হয়ে গেছে, আমরা বাঁচতে চাই,’ বলেন সুমি আক্তার।

গয়টাপাড়া সীমান্তপথে বসে আছে সুমি আক্তার ও বেলাল হোসেন দম্পতি। সুমির কোলে ৬ মাসের ফাইমা এবং বেলালের কোলে ৪ বছরের ফাতেমা আছে। বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার বিরুনিয়া ইউনিয়নের কংশেরকুল গ্রামে তারা বাস করতেন। কয়েক মাস আগে সিলেট সীমান্তপথে তাদের ভারতে পাড়ি জমানো হয়। বিএসএফ তাদের ধরে নিয়ে গত রোববার ভোরে সীমান্তে পার করে দেয়। কিন্তু বিজিবি এবং স্থানীয়দের বাধায় তাদের প্রবেশ ঘটানো যাচ্ছে না।

মুখোমুখি অবস্থান

শেষ খবর পেয়া পর্যন্ত তাদের খোলা আকাশের নিচে রোদ বৃষ্টি সয়ে দুই দিন ধরে এভাবে বসে আছে। সুমি বলেন, ‘কোন দেশে নেবেন নেন, কিন্তু এভাবে ফেলায় রাখিয়েন না। বাচ্চাগুলা মরে যাবে। আমরা বাঁচতে চাই।’

বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার শফিকুল ইসলাম বলেন, বিএসএফ কম্বল ও পলিথিন দিয়েছে। খাবার দিয়েছে। এছাড়া লোকজন খাবার ও ছাতা দিয়েছেন। শিশুদের অসুস্থতার কথা জানায়, তারা ভালো আছে। কিন্তু গরমে অসুবিধা হচ্ছে।

পরিস্থিতি আক্রমণ

গতকাল সকালে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বিএসএফ এবং বিজিবি সদস্যদের সীমান্তপথে মুখোমুখি অবস্থানের কারণে একটি পতাকা বৈঠক হয়। বৈঠকের পর বিএসএফ আট নারী ও শিশুকে ভারতীয় কাঁটাতারের ভেতরে ফিরিয়ে দেয়। তবে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

পাটগ্রামের সীমান্ত এলাকা দিয়ে পুশ ইনের চেষ্টা প

Leave a Comment