আন্তর্জাতিক ঘটনা: হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন হামলার পর ভারতের সংকট
প ত ত প ল ন ভ – ২০ জুন ওমান উপসাগরের কাছে ভারতীয় নাবিক বহনকারী এমটি জলভির বাণিজ্যিক জাহাজে মার্কিন নৌবাহিনীর হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন। ঘটনার পরদিন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর মার্কো রুবিওর সঙ্গে সংক্ষিপ্ত ফোনালাপে ঘটনায় ভারতের গভীর অবস্থান জোর দিয়ে বিবরণ দেন।
প্রতিবাদের প্রকাশ: শান্তি ও নিরাপত্তা সম্পর্কে মতবিরোধ
ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাণিজ্যিক জাহাজগুলি লক্ষ্য করা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি জোর দিয়ে ক্ষুব্ধতা ব্যক্ত করেন, ‘প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ করা যেন সংবেদনশীল অঞ্চলের সমুদ্র বাণিজ্যের স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।’ ভারত আবারও অনুরোধ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামুদ্রিক বাহিনী নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনের মুখপাত্রকে উদ্দেশ্য করে।
‘এটি একটি সংবেদনশীল সময়ে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য সংকটজনক পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য করা যায়।’
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে কোনো সরাসরি উল্লেখ নেই ভারতীয় নাবিকদের মৃত্যু বা উদ্বেগের বিষয়ে। বরং বলা হয়েছে যে রুবিও জোর দিয়ে বলেছেন—‘হরমুজ প্রণালিতে ইরানি অবরোধ ভঙ্গের চেষ্টা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।’
পূর্ববর্তী ঘটনা ও প্রতিক্রিয়া
এদিন আগে বৃহস্পতিবার মার্কিন বাহিনী ওমান বন্দরের কাছে তিনটি ভারতীয় নাবিক বহনকারী বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালায়। তিন জাহাজের কোনোটিই ভারতীয় পতাকাবাহী ছিল না। মারিভেক্স ও সেট্টেবেলো ছিল পালাউর পতাকাধারী এবং জলভির গিনি-বিসাউয়ের পতাকাধারী। নাবিক কর্মরত ছিলেন তিনটি জাহাজে।
‘আমি আবারও বাণিজ্যিক জাহাজের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী পদক্ষেপের কোনো যৌক্তিকতা নেই।’
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, এই সপ্তাহে ইরানের বন্দর অবরোধ ভঙ্গের অভিযোগে তিনটি জাহাজ অচল করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে এমটি মারিভেক্স (৮ জুন), এমটি সেট্টেবেলো (৯ জুন) এবং এমটি জলভির (১১ জুন)। জলভিরে দুটি হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর জাহাজটি অচল করা হয়।
এই সপ্তাহে ওমান উপকূলের কাছে তিনটি বিদেশি পতাকাবাহী জাহাজে মার্কিন হামলায় ভারতীয় নাবিক তিনজন নিহত হন। ওমানের সশস্ত্র বাহিনী ঘটনার পর জাহাজ থেকে ৬০ জনের বেশি ভারতীয় নাবিককে উদ্ধার করে।
এমটি সেট্টেবেলোর তিন নাবিকের মৃত্যু ঘোষণা করা হয় যাঁদের আগে নিখোঁজ বলা হয়েছিল। এমনিতে ভারতীয় পক্ষের অবস্থ
