মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট ভারতে আসেন
ভ রত ম য় নম র র – মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর প্রধান এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং গত শনিবার ভারতে আসেন। তাঁকে ভারতে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশ হিসেবে স্বাগত জানানো হয়, কিছু প্রতিনিধি তাঁকে লাল গালিচা বিছিয়ে অভ্যর্থন করে। এটি মিনের প্রথম বিদেশ সফর, যেখানে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সঙ্গে আলোচনা করবেন।
বৌদ্ধ তীর্থস্থান বুদ্ধগয়া পরিদর্শনের আগে তিনি মুম্বাই সফর করবেন। সরকারের তথ্য অনুযায়ী, দুই দেশের সম্পর্কের গভীরতা ও বিদ্যমান আধ্যাত্মিক ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে সামরিক অভিযানে বেসামরিক মানুষের ৭ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি মৃত্যু হয়েছে বলে দুই দেশের সাংবাদিকদের জয়সওয়াল উল্লেখ করেন।
সফরের গুরুত্বপূর্ণ কাজ
নয়াদিল্লিতে পৌঁছানোর পর তিনি দুই নেতা মাত্র দুবার সাক্ষাৎ করেছেন, যেখানে বাণিজ্য ও সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। তাঁর প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বাণিজ্য সম্পর্কে সরকারের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা হয়েছে।
“উষ্ণ অভ্যর্থনা।” রণধীর জয়সওয়াল বলেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভারত ও মিয়ানমারের বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার। গত এপ্রিলে মিন অং হ্লাইং প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে মোদি তাঁকে অভিনন্দন বার্তা পাঠান।
বিক্ষোভের তীব্রতা
তবে মিয়ানমারের ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট (এনইউজি) দিল্লিতে বসবাসরত নাগরিক এবং যুদ্ধ থেকে পালিয়ে আসা শরণার্থীদের মধ্যে বিক্ষোভ ঘোষণা করা হয়েছে। একটি সংগঠন বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানায়।
“অন্যায় নিপীড়ন ও নৃশংস কর্মকাণ্ডের কারণে তারা দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।” মিন অং হ্লাইংয়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের ভাষ্য সরকার কর্তৃক প্রকাশ করা হয়েছে।
সমালোচকদের মতে, ভারত সামরিক শাসকদের সঙ্গে কূটনীতি, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং নির্বাচনসংক্রান্ত সহায়তার ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে। সরকার ক্ষমতা দখলের পাঁচ বছর পর তাঁর শাসন অব্যাহত রাখেন।
যাদের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পেয়েছেন প্রভাবশালী গণতান্ত্রিক প্রতিবেশী দেশটির কাছ থেকে তিনি স্বীকৃতি পেয়েছেন। তবে জাতিসংঘ, পশ্�
