International

ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিমানকে ‘ঝুঁকিপূর্ণভাবে’ বাধা দিয়েছে রাশিয়া

রাশিয়া ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিমানকে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বাধা দিয়েছে

বিমানবাহিনীর রিপোর্টে প্রকাশ

ব র ট শ গ য় ন – ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিমানের মূল ঘটনা কৃষ্ণসাগরের আকাশে গত মাসে ঘটেছিল। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত বিবরণ অনুযায়ী, রাশিয়ার দুটি যুদ্ধবিমান ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিমানকে আক্রমণ করেছিল। বুধবার (২০ মে) রাতে রিভার জয়েন্ট বিমানটি সু-৩৫ ফাইটার জেটের কাছাকাছি চলে আসে, যার ফলে বিমানটি জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং অটো-পাইলট বন্ধ করে দেয়। আরও একটি সু-২৭ যুদ্ধবিমান ছয়বার চক্কর দেয়, যে প্রক্রিয়ায় ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিমানটির নাক বরাবর ছয় মিটার বাড়ি পৌঁছেছিল। এই ঘটনাটি সামরিক সম্পর্কে বিশেষ গুরুত্ব অর্জন করেছে, কারণ এটি ইউক্রেন যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিযোগী দুর্ঘটনার একটি সম্ভাব্য পরিচয় হতে পারে।

“আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় চলাচলরত একটি নিরস্ত্র ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিমানের প্রতি রাশিয়ার আগ্রাসন আপত্তিজনক এবং বিপজ্জনক হতে পারে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড বড় কোনো দুর্ঘটনা বা উত্তেজনা বৃদ্ধির গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করে।”

বিমানের কাজ ও রাশিয়ার আগ্রাসন

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জন হিলি ঘটনার বিশ্লেষণে বলেন, রিভার জয়েন্ট বিমানটি ন্যাটো বাহিনীর পূর্ব অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করছিল। এই ঘটনার পরে রাশিয়া আবারও ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিমানকে আক্রমণ করেছে, যেখানে পূর্বে এক রুশ পাইলট ছুটি মিসাইল ছুড়েছিল। হিলি বলেন, এই আক্রমণ সামরিক প্রতিশ্রুতির বিপজ্জনক প্রমাণ হতে পারে। সামরিক পরিচালনার ক্ষেত্রে রাশিয়ার প্রতিশোধের প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় প্রতিক্রিয়া প্রদান করেছে।

বিমানের প্রকৃতি ও সম্ভাব্য কারণ

ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিমানটি কৃষ্ণসাগরের উপরে অপারেশন চালাচ্ছিল, যা একটি প্রধান সামরিক মূল্যবান অঞ্চল। বিমানটি সম্ভবত রাশিয়ার কোনো সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছিল বা দুর্ঘটনার অনুমান করছিল। সু-৩৫ এবং সু-২৭ যুদ্ধবিমান রাশিয়ার পক্ষে ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিমানকে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে আবারও প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। এই আক্রমণের পেছনে কী প্রতিশ্রুতি বা অস্ত্র নির্দেশনা ছিল তা নিশ্চিত করতে হবে। যদিও কোনো বিমান সম্পৃক্ত হয়েছিল, তবুও এটি প্রতিক্রিয়া করেছিল বা বিমানের দিক সরিয়েছিল এমন কোনো তথ্য আছে কিন

Leave a Comment