দুদক আইন: কমিশনশূন্যতায়ও দুদক ‘সচল’ রাখতে আইন সংশোধন হচ্ছে
দ দক আইন – বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের মেয়াদ পাঁচ বছর ছিল। পূর্ববর্তী সরকার থেকে ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের নেতৃত্বে কমিশন স্থাপন করা হয়েছিল। গত ৩ মার্চ কমিশনের সম্পূর্ণ পদত্যাগের পর আড়াই মাস ধরে কমিশনশূন্যতায় দুদক কার্যত স্থবির হয়ে আছে। মামলা দায়ের, অভিযোগপত্র অনুমোদন ও অভিযান কার্যক্রম বন্ধ হয়ে আছে। কারণ বর্তমান আইনে সব ক্ষমতা কমিশনের হাতে ছিল।
দুদক আইন সংশোধন করা হচ্ছে কমিশনের ক্ষমতা অব্যাহত রাখতে এবং কমিশনশূন্যতার সময় তা সচল থাকতে নিশ্চিত করতে। এ খসড়ায় কমিশনের মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে চার বছর করা হয়েছে। সংশোধিত আইনে কমিশনের ক্ষমতা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে সার্বিক ভাবে। বিশেষ করে মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রস্তাব প্রস্তুত করা হয়েছে।
কমিশনের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে বলেন, সংশোধনী আইনের খসড়ায় কমিশনের মেয়াদ ও কমিশন না থাকলে করণীয়সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রস্তাব রয়েছে। এটি পাস হলে দুদক কমিশনহীন অবস্থায়ও সচল থাকবে এবং শক্তিশালী হবে।
আইন সংশোধন প্রক্রিয়ায় কমিশনের সচিবের প্রস্তাব স্বীয় বিবেচনায় মহাপরিচালকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তবে কমিশন গঠনের অব্যবহিত পরে সচিব গৃহীত কার্যক্রম কমিশনকে অবহিত করবেন। সংশোধনীর খসড়ায় সচিবের গৃহীত সিদ্ধান্ত কমিশনের সিদ্ধান্ত বলে গণ্য হবে।
দুদক আইনের খসড়ায় বহুল আলোচিত ও সমালোচিত ধারা বাতিল করা হয়েছে। সংশোধনী দ্বারা আইনের ২০(ক) ধারার বাধ্যবাধকতা বাতিল করে নতুন একটি ধারা প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমান ধারায় উল্লেখ রয়েছে যে ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯৭ অনুসারে জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তদন্ত সম্পন্ন হতে হবে এক বিশেষ ধারা আকারে কমিশনের সচিব অব্যাহত রাখার অধিকার দেওয়া হয়েছে।
সংশোধিত আইনে কমিশনের ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য একাধিক পরিবর্তন সুপারিশ করা হয়েছে। মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত ক্ষমতা দুদকের কাছে ন্যস্ত রয়েছে। তবে বর্তমান আইনে দুদক ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য কিছু বিষয় দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। সংশোধন
