National

অলস বসে আছে ২৯ বিদ্যুৎকেন্দ্র

bdyt_KV7i6IH
Foto : Matthew Wilson - banglajibon.com
Table of Contents
  1. জ্বালানি-অভাবে অচল ২৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্র: জাতীয় গ্রিডে রেকর্ড লোডশেডিং
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

জ্বালানি-অভাবে অচল ২৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্র: জাতীয় গ্রিডে রেকর্ড লোডশেডিং

Banglajibon.com – অলস বস আছ ২৯ ব দ য – শরতের আবহাওয়ায় দেশের বিদ্যুৎ-চাহিদা ১৪ হাজার থেকে ১৮ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যে দোলায় দোলায় চলছে। ১০ আগস্ট মধ্যরাতের পর একবারে ৩ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করা হয়েছে — এটি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড। উৎপাদন-ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও জ্বালানি-অভাবের কারণে মোট ২৯ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রায় অর্ধেক এখন নিষ্ক্রিয় অবস্থায় পড়ে আছে।

নিষ্ক্রিয় ক্ষমতার হিসাব

২৯টি গ্যাসচালিত কেন্দ্র যদি সচল থাকত, জাতীয় গ্রিডে আরও ৬ হাজার ৩১২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হতো। কাগজ-কলমে এটি অর্থায়, লোডশেডিংয়ের প্রয়োজনই থাকত না। পিডিবির অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা থেকে জানা যায়, রক্ষণাবেক্ষণের কারণে আরও ১১টি গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র বন্ধ আছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ২৯ জুলাইয়ের উপাত্ত অনুযায়ী, ওই দিন উৎপাদন হয়েছিল ১৪ হাজার ৭৬১ থেকে ১৪ হাজার ৭৯৯ মেগাওয়াট — অর্থাৎ সক্ষমতার মাত্র প্রায় ৫১ শতাংশ। একই দিনে দেশে গড়ে দেওয়া থেকে ২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল।

এপ্রিল থেকে আগস্ট: ধাপে ধাপে অবনতি

গত এপ্রিলে চাহিদা বাড়তে শুরু করলে লোডশেডিংও বাড়তে থাকে। জুলাইয়ে লোডশেডিং নিয়মিত ১ হাজার মেগাওয়াট অতিক্রম করে। চলতি আগস্টে প্রায় প্রতিদিনই গড় লোডশেডিং ২ হাজার মেগাওয়াটের ঊর্ধ্বে উঠেছে।

গ্যাস-সংকটের মাত্রা

দেশে এখনো তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য পর্যাপ্ত কয়লা-মজুত নেই, তরল জ্বালানির অভাব চলছে এবং গ্যাস-সংকট চরমে পৌঁছেছে। কেবল বিদ্যুৎকেন্দ্র নয় — গৃহস্থালি, পরিবহনসহ সামগ্রিকভাবে গ্যাসের জাতীয় চাহিদার ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ ঘাটতি রয়েছে।

পিডিবির উৎপাদন বিভাগের এক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ৫২টি গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রের মোট উৎপাদন-ক্ষমতা ১১ হাজার ৯৩৪ মেগাওয়াট। চরম চাহিদার মধ্যেও শুধু গ্যাসের অভাবে ২১টি কেন্দ্র সম্পূর্ণ বন্ধ, আর ৮টি আংশিক চালু। এই ২৯টি কেন্দ্র সচল হলে জাতীয় সঞ্চালন-লাইনে ৬ হাজার ৩১২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হতো।

উৎপাদন-ব্যয়ের তুলনা

দেশে জলবিদ্যুতের পরই সবচেয়ে সস্তা বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায় গ্যাস দিয়ে। বর্তমান বাজারমূল্য অনুযায়ী গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ৫ থেকে ৬ টাকায় উৎপাদিত হয়। কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন-ব্যয় প্রতি ইউনিট ১০ থেকে ১৪ টাকা। বিকেল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত পিক-টাইমে সবচেয়ে ব্যয়বহুল তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো চালু করা হয়, যার প্রতি ইউনিট দাম দাঁড়ায় ২৫ থেকে ৩৫ টাকা।

১৩ আগস্টের পর গ্যাস-বরাদ্দ বৃদ্ধি

আগস্টে একদিকে গ্যাস-সংকট, অন্যদিকে তীব্র লোডশেডিং — এই দ্বৈত চাপে সারা দেশের মানুষ ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হয়েছে। ছবিতে পড়ে ক্ষোভ; বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ, মিছিল-সমাবেশ, এমনকি বিদ্যুৎ অফিসে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। চাপের মুখে সরকার ১৩ আগস্ট শিল্প ও সার কারখানা থেকে গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সচল করার সিদ্ধান্ত নেয়।

পিডিবির সদস্য (উৎপাদন) জহুরুল ইসলাম জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য গ্যাসের বরাদ্দ এত দিন ছিল ৭০০ থেকে ৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। ১৩ আগস্ট থেকে তা অন্তত ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট বাড়ানো হয়; এখন দৈনিক ১ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের বরাদ্দ রয়েছে। পরিস্থিতির আলোকে ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুটের কিছুটা বেশি গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে।

বৃদ্ধির প্রভাব

পিজিসিবির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধির পর উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ১৪ আগস্টের আগে গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র থেকে গড় উৎপাদন ছিল প্রায় ৪ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যে; এখন তা বেড়ে প্রায় ৫ হাজার মেগাওয়াট হয়েছে।

গ্যাস-সরবরাহের কাঠামোগত ঘাটতি

পেট্রোবাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৫২টি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য দৈনিক ২ হাজার ৫২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন। তবে ঘাটতির কারণে এই চাহিদার অর্ধেকও সরবরাহ করা যায় না। দেশে মোট গ্যাস-চাহিদা দৈনিক ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট, অথচ স্থানীয় কূপের উৎপাদন ও এলএনজি আমদানি মিলিয়ে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ করা যাচ্ছিল। গত ২১ জুলাই থেকে এলএনজি রূপান্তরের নানা সমস্যার কারণে সরবরাহ নেমে এসেছে মাত্র ২ হাজার ১০০ থেকে ২ হাজার 2০০ মিলিয়ন ঘনফুটে।

বন্ধ কেন্দ্রের তালিকা

পিডিবির গত বুধবারের উৎপাদন-তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গ্যাসের অভাবে ঢাকা জোনে ১৪টি গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র বন্ধ — যার মধ্যে ঘো

Frequently Asked Questions

What is অলস বস আছ ২৯ ব দ য?

অলস বস আছ ২৯ ব দ য is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does অলস বস আছ ২৯ ব দ য matter?

অলস বস আছ ২৯ ব দ য matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment