রাশিয়া ও চীনের বৈঠকে নতুন যুক্তি আবিষ্কৃত হয়েছে
জঙ গল র আইন ফ র র – রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেইজিং সফরের কম এক সপ্তাহের মধ্যে চীনে পৌঁছেছেন। তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে অন্তত ২০টি চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন।
যৌথ বিবৃতি ও প্রকাশিত ঘোষণার মূল বিষয়গুলো
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবর অনুযায়ী, পুতিন-সি চিনপিং বৈঠকের পর প্রকাশিত যৌথ বিবৃতি ট্রাম্পের বেইজিং সফরে প্রকাশিত কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি ও যৌথ বিবৃতির তুলনায় একটি স্পষ্ট পরিবর্তন ঘটায়। ট্রাম্পের সফরে কোনো স্বাক্ষরিত চুক্তি বা যৌথ বিবৃতি ছিল না বলে জানা গিয়েছিল।
বৈশ্বিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। বিশ্ব শান্তি ও উন্নয়নের এজেন্ডা নতুন ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিভক্তি এবং জঙ্গলের আইনে ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ক্রেমলিনের ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, কিছু রাষ্ট্রের একতরফা দমননীতি, ইতিহাসকে উল্টো করার প্রচেষ্টা ও বৈশ্বিক বিষয় নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এই চুক্তিগুলো সব পর্যায়ে বিনিময় ঘনিষ্ঠ করে রাখা হয়েছে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে সহযোগিতা বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্কে নতুন মূল্যায়ন
আগে জানা গিয়েছিল চীন ও রাশিয়ার মধ্যে প্রায় ৪০টি চুক্তি সই হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ক্রেমলিন জানায়, এর মধ্যে ২০টি চুক্তি প্রকাশিত হয়েছে যার জন্য সি চিনপিং ও পুতিন উপস্থিত ছিলেন। আরও ২০টি চুক্তি আলাদা ভাবে ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
যৌথ বিবৃতির আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। বিশেষ করে জ্বালানি প্রকল্প এবং চীন-রাশিয়া সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু চুক্তি বা সমঝোতার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি ক্রেমলিন।
