এআই কোম্পানি বেচে রাতারাতি বিলিয়নিয়ার ভারত ও পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত দুই তরুণ
এআই ক ম প ন ব চ – সিলিকন ভ্যালির জনপ্রিয় এআই প্রতিষ্ঠান অ্যানিস্ফিয়ার কর্তৃক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা প্রতিষ্ঠিত কোডিং সহায়তা প্রদানকারী ‘কার্সর’ অ্যাপ অধিগ্রহণের খবর সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার বিষয়ে আলোচনা উত্তেজিত করেছে। দক্ষিণ এশিয়ার দুই তরুণ উদ্যোক্তার বিলিয়ন ডলারের চুক্তির পরিণতি সিলিকন ভ্যালির প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্রুত বিস্তারের একটি নতুন উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অধিগ্রহণের ফলে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক আমান স্যাঙ্গার ও পাকিস্তানি তরুণ সালেহ আসিফ প্রত্যেকে আনুমানিক ২.৭ বিলিয়ন ডলার অর্জন করেছেন। তাঁদের নাম বিশ্বের কনিষ্ঠ বিলিয়নিয়ারদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যার জন্য তাঁদের এআই খাতে সিলিকন ভ্যালির বিকাশ নতুন উচ্চতর মাপানো হচ্ছে।
কার্সর উদ্ভাবনের সাথে জড়িত দুই তরুণ উদ্যোক্তার বিশ্ববিদ্যালয়ের সময়ে সংস্থার সূচনা হয়েছিল। ২০২২ সালে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) চার শিক্ষার্থী মাইকেল ট্রুয়েল, আরভিড লুনেমার্ক, আমান স্যাঙ্গার ও সালেহ আসিফ এই এআই অ্যাপ গড়ে তুলেছিলেন। শুরুতে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রকল্প হিসেবে চালু হয়, কিন্তু চার বছরের মধ্যে এটি সিলিকন ভ্যালির অন্যতম দ্রুত বিস্তারশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোম্পানি হিসেবে পরিচিত হয়।
এখন পর্যন্ত এটি বিশ্বজুড়ে প্রায় ৫০ হাজার প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হচ্ছে। কার্সরের গ্রাহক তালিকার মধ্যে এনভিডিয়া, অ্যাডোবি, উবার, শপিফাই ও পেপ্যাল সহ অনেক প্রযুক্তি জায়ান্ট রয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স অনুযায়ী, কার্সর বার্ষিক রাজস্ব এক বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানিক খাতে প্রায় ২.৬ বিলিয়ন ডলারের আয় অর্জন করেছে।
আমান স্যাঙ্গার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেছেন, কিন্তু তাঁর পরিবারের ইতিহাস ভারতের মূল্যবান শিক্ষার কেন্দ্রে প্রমাণিত। তাঁর বাবা অরবিন্দ স্যাঙ্গার ভারতের আইআইটি বোম্বে থেকে বিখ্যাত বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ‘জিওস্ফিয়ার ক্যাপিটাল’ এর প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর মা শিল্পা স্যাঙ্গার মুম্বাইয়ে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগকারী হিসেবে সাফল্য অর্জন করেন।
আমান এমআইটিতে কম্পিউটার সায়েন্সে অধ্যয়ন করেন এবং গুগল ও ব্রিজওয়াটার অ্যাসোসিয়েটসে ইন্টার্নশিপ করেন। কিন্তু তিনি কার্সর �
