গর্ডনের গোলে পিছিয়ে পড়ল আর্জেন্টিনা
গর ডন র গ ল প ছ – ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে ইংল্যান্ড প্রথম ফুটবল বল পেয়ে আগে চলে গেল। ডেকলান রাইস জার্সি ধরে টেনে মর্গান রজার্সের দিকে বল পাঠান। রজার্স দূরের পোস্টে অ্যান্থনি গর্ডনকে স্পষ্ট ক্রস দেয়ার চেষ্টা করেন। বাড়িয়ে দেন গর্ডন সেখানে অ্যান্থনি গর্ডন পেছনে ফেলে মোলিনাকে সময়মতো দৌড়ে আসেন। তারপর স্থানান্তরিত করে আলতো ছোঁয়ায় এমিলিয়ানো মার্তিনেসকে পরাজিত করেন।
ম্যাচের প্রথম অর্ধেক সময় গোলশূন্য থাকার পর বিপক্ষ দুই দলই একটি করে হলুদ কার্ড পেয়েছিল। ম্যাচের সেরা সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা কিন্তু সেটি ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড পরিস্থিতি পরিবর্তন করে দেন। ৪২ মিনিটে রজার্সকে জার্সি ধরে টেনে মার্তিনেস হলুদ কার্ড পেয়েছিল। অন্যদিকে ৩৮ মিনিটে মেসিকে চাপে রাখেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। সেই ফ্রি-কিক থেকে আর্জেন্টিনা গোলের জন্য তাড়াতাড়ি চাপ বাড়ায়।
২৫ মিনিটে মেসির কর্নার থেকে আর্জেন্টিনা আক্রমণ গড়ে তোলে। তবে সিমিওনে গোলরক্ষক পিকফোর্ডের পাশে বাধা দেন এবং ফাউল ঘটে। প্রথম ১০ মিনিটে দুই দলের মধ্যে ৬ ফাউল হয়েছিল। এটি এ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ফাউল সংখ্যা। এই ঘটনার আগে ফ্রান্স-সুইডেন ম্যাচেও সেই সংখ্যা ছিল।
প্রথম অর্ধেক খেলার সময় আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগ পিকফোর্ডকে কঠিন পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি। বেলিংহাম ফাউলের পর খেলোয়াড়রা তর্কে জড়িয়ে পড়ে। কোচ লিওনেল স্কালোনি আর্জেন্টিনার একাদশে তিন পরিবর্তন করেন। ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেল তিনটি বিপর্যয় ঘটান। বিশ্বকাপে এর আগে দুই দল ৫ বার মুখোমুখি হয়েছে। প্রতিবারই রোমাঞ্চ ছড়ায় তবে নকআউটে আর্জেন্টিনা কখনো হারাতে পারেনি ইংল্যান্ড।
খেলার সময় বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় আটলান্টায় শুরু হবে সেমিফাইনাল। ইংল্যান্ড একাদশ: জর্ডান পিকফোর্ড, রিস জেমস, জন স্টোনস, মার্ক গেহি, জেড স্পেন্স, এলিয়ট অ্যান্ডারসন, জুড বেলিংহাম, ডেকলান রাইস, অ্যান্থনি গর্ডন, মর্গান রজার্স ও হ্যারি কেইন। আর্জেন্টিনা একাদশ: এমিলিয়ানো মার্তিনেস, নাউয়েল মোলিনা, ত্রিস্তিয়ান রোমেরো, নিকোলাস তালিয়াফিকো, লিসান্দ্রো মার্তিনেস, জুলিয়ানো সিমিওনে, লে
