এই স্পেন ক্রিকেট জগতে ভয় পায় না
এই স প ন ক উক ভয – এই স্পেন ক্রিকেট দলটি বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে কেপ ভার্দে বিরুদ্ধে একটি অপর্যাপ্ত ড্র দিয়ে আত্মবিশ্বাসের কিছু ক্ষতি হয়েছে, কিন্তু সেটি এখন তাদের স্থিতিশীলতার দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করছে। চার ম্যাচে এখন পর্যন্ত নয়টি গোল করেছে দলটি, কিন্তু গোল হজম করেছে কেউ না। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন দলটি প্রতিযোগিতায় কার্যকরভাবে স্বাধীন আধিপত্য অর্জন করেছে।
আক্রমণের শক্তি এবং প্রতিরোধের পরিপ্রেক্ষিতে
অস্ট্রিয়াকে তিন-শূন্য গোলে হারিয়ে স্পেন তিন ম্যাচে বিপক্ষদের আক্রমণ বন্ধ করে দিয়েছে। এই দলটি বিশ্বকাপে আরও উন্নতি করার জন্য সব সময় নিজেদের শক্তি পরীক্ষা করে। বিশ্বকাপে স্পেন এখন আরও বেশি সম্মান অর্জন করছে।
প্রতিপক্ষে যে ম্যাচ খেলেছি তার জন্য আমরা উৎসুক। শুধু জয়ের জন্য নয়, যেভাবে খেলেছি সেটার জন্যও আমাদের খুশি। কিন্তু এখনো আমাদের বেশি উন্নতি করতে হবে। কেউ হয়তো মনে করছেন স্পেনের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। আমি তা মনে করি না। এই দল এখনো নিজের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছায়নি।
স্পেনের প্রতিযোগিতায় পরিকল্পনা ও ক্রিয়াশীলতা
দে লা ফুয়েন্তে তাঁর সবচেয়ে বড় কথা হলো নকআউট পর্বে স্পেনের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষদের সম্পর্কে। তিনি বলেছেন, ‘যখন সবাই আপনার প্রশংসা করবে, আর আপনি সেটা বিশ্বাস করতে শুরু করবেন, তখনই আপনি দুর্বল হয়ে পড়বেন। আত্মতৃপ্তি আপনার সর্বনাশ ডেকে আনতে পারে।’
এখন স্পেনের জন্য নিশ্চিত হওয়ার কারণ আছে। আক্রমণে ওয়ারসাবাল, ইয়ামাল, নিকো উইলিয়ামস এবং পেদ্রিদের সৃজনশীলতা এখনও অপরিসীম। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে আরেকটি ক্লিন শিট রেখে সিমোন বিশ্বকাপে চার ম্যাচে গোল না খাওয়ার রেকর্ড গড়েছেন। তার দিকে স্পেন নয়টি শট নিয়ে প্রতিপক্ষের দিকে ১০টি লক্ষ্য ছোঁয়াচ ছিল।
‘এখন হারলেই বিদায়। তাই বিশ্রাম নিয়ে পরের ম্যাচের প্রস্তুতি নিতে হবে। আমরা উন্নতি করে যেতে চাই। আমরা কোনো দলকে ভয় পাই না।’
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে পর্তুগাল প্রতিপক্ষ হয়েছে। ইয়ামালের জন্য এখন তার লক্ষ্য ছোট নয়। তিনি বলেছেন, ‘ছোটবেলায় সবাই এই স্বপ্নই দেখে। আমাদেরও একটি লক্ষ্য রয়েছে—শেষ পর্যন্ত যেতে এবং বিশ্বকাপ জয় করতে।’
