Sports

অবশেষে বিশ্বকাপে হারের বৃত্ত ভাঙল কানাডা

অবশেষে বিশ্বকাপে হারের বৃত্ত ভাঙল কানাডা

অবশ ষ ব শ বক প হ – বিশ্বকাপে কানাডা আগে ছয়টি ম্যাচ খেলেছে, কিন্তু সবগুলো ম্যাচেই শূন্য হাতে মাঠ ছাড়তে হয়েছে। এই ঘটনা কানাডার জন্য একটি নতুন অভিজ্ঞতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে যখন তারা ঘরের মাঠে প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচে নেমে হারের বৃত্ত ভাঙতে সক্ষম হয়। টরন্টো স্টেডিয়ামে কানাডা বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে এক পয়েন্ট করে নিয়েছে যে দুই দলের মধ্যে ১–১ গোলের ড্রয়ে।

হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে দলের সেরা তারকা আলফোনসো ডেভিস খেলতে পারেন না, কানাডার পক্ষে এই ড্র আসলে কোনো জয়ের চেয়ে কম কিছু নয়। ম্যাচের শুরুতে টরন্টো স্টেডিয়ামের গ্যালারি ছিল লাল-সাদা সমর্থকদের করতালির সাথে মুখর। কিন্তু দ্বিতীয় মিনিটে এগিয়ে যায় বসনিয়া যার জন্য সাবেক আর্সেনাল ডিফেন্ডার সেয়াদ কোলাসিনাচের ফ্লিক থেকে একটি গোল করেছে ইয়োভো লুকিচ।

বুঝিয়ে দেন কেন ইতালিকে বিদায় করে ১২ বছর পর বিশ্বকাপ খেলছে বসনিয়া।

গোল হওয়ার পর কানাডা তরুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে খেলতে শুরু করে। প্রথমার্ধে লিয়াম মিলার উইং থেকে বেশ কিছু আক্রমণ করে বসনিয়া করেছিল, কিন্তু ফরোয়ার্ড লাইনে জোনাথন ডেভিডের ফর্মহীনতা ও তানি ওলুয়াসেয়ির সুযোগ মিস করার কারণে সমতা ছিল না।

দ্বিতীয় মিনিটে মাঝমাঠ থেকে কোলাসিনাচ লারিয়ার গোল নিশ্চিত করার চেষ্টা করেন, কিন্তু গোল হওয়ার পর কানাডা ম্যাচের চিত্রনাট্য একই রকম ছিল। সেই বিপদের কিছুক্ষণ পর ডাগআউটে মাস্টারস্ট্রোক খেলেন জেসি মার্শ কোচ। সেই সিদ্ধান্ত মাত্র ১২১ সেকেন্ডের মধ্যে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেয়। তিনি আলী আহমেদ ও জ্যাকব শ্যাফেলবার্গ করে মূল তারকা জোনাথন ডেভিড, তাজন বুকানন ও লিয়াম মিলারকে একযোগে মাঠে নামান। ওলুয়াসেয়ির বদলি হিসেবে সাউদাম্পটনের ফরোয়ার্ড কাইল লারিনকে নামানো হয়।

টরন্টো স্টেডিয়াম পুরোপুরি উন্মাতাল গর্জনে ভরে ওঠে যখন লারিন মাঝমাঠ থেকে ইসমায়েল কোনের চমৎকার পাস �

Leave a Comment